আশুলিয়ায় পৃথক স্থান থেকে এক তরুণের অর্ধগলিত এবং এক নারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার সকালে আশুলিয়ার টঙ্গাবাড়ি এলাকার একটি জঙ্গল থেকে এবং জিরানাী বাজার এলাকার একটি বাসা থেকে তাদের মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করে আশুলিয়া থানা-পুলিশ।
এদিকে তরুণকে শ্বসরোধে হত্যার ১২ দিন পর জঙ্গল থেকে অর্ধগলিত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় তার বন্ধু সজীব আহমেদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত আরও এক বন্ধু পলাতক থাকায় তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সজীব আহমেদ পাবনা জেলার শাজাহানপুর থানার শহীদুল ইসলামের ছেলে।
নিহত সোহেল রানা (১৭) আশুলিয়ার গৌরিপুর এলাকায় পরিবারের সঙ্গে ভাড়া থেকে স্থানীয় একটি তৈরি পোশাক কারখানায় কাজ করত বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সোহেল রানার বাবা শফিকুল ইসলাম বলেন, মোবাইলের জন্য আমার ছেলেকে তার দুই বন্ধু মিলে নির্মমভাবে গলায় বেল্ট পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে। আমি তাদের ফাঁসি চাই।
আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জসিম উদ্দিন বলেন, গত ১০ নভেম্বর সোহেল রানা নিখোঁজের ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন বাবা। ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে নিখোঁজ সোহেলের বন্ধু সজীবকে আটক করা হয়।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সজীব সোহেল রানাকে ডেকে নিয়ে শ্বাসরোধে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে টঙ্গাবাড়ি এলাকার একটি জঙ্গল থেকে সোহেল রানার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তারা তিনজনই ঘনিষ্ঠ বন্ধু। পূর্বের মনোমালিন্য ও মোবাইল ফোন হাতিয়ে নেওয়ার জন্য সোহেল রানাকে ১০ নভেম্বর রাতে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ জঙ্গলে ফেলে দেয় বন্ধুরা।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলায় রবিবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত সজীবকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে, আশুলিয়ার জিরানী পুকুরপাড় এলাকায় একটি ভাড়া বাড়ি থেকে অজ্ঞাত পরিচয় এক নারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।