যুবদলের পদবঞ্চিতদের হুঁশিয়ারি

১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে কমিটি পূর্ণাঙ্গ না হলে আন্দোলন

আগামী ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা না করলে আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংগঠনটির পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা। গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভেতরে টেনিস গ্রাউন্ডে এক বৈঠক থেকে তারা এ হুঁশিয়ারি দেন।

বিক্ষুব্ধদের এমন হুমকির বিষয়ে জানতে চাইলে যুবদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘রাজনৈতিক বাস্তবতা ও করোনাভাইরাসের কারণে আমরা নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যেতে পারছি না। তবে কমিটি গঠনের কাজ চলছে। শিগগিরই পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে।’ বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের বৈঠক সম্পর্কে কিছু জানেন না বলে দাবি তার।

সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু বলেন, ‘আগামী মাসের শুরুতে পূর্ণাঙ্গ কমিটির ঘোষণা আসতে পারে।’

এদিকে বঞ্চিত নেতাকর্মীরা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘২০১৭ সালের ১৭ জানুয়ারি যুবদলের কমিটি গঠন করা হয়। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কমিটির মেয়াদ তিন বছর হলেও নির্ধারিত সময়ে কমিটি পূর্ণাঙ্গ করতে পারেননি দায়িত্বপ্রাপ্তরা। পরে ১১৪ জনের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হলেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়নি। দেশের এই পরিস্থিতিতে যুবদলের মতো একটি সংগঠন ১১৪ জন দিয়ে চলতে পারে না।’

বঞ্চিত নেতাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন যারা আন্দোলন-সংগ্রামে সম্পৃক্ত ছিলেন তাদের বাদ দিয়ে নিষ্ক্রিয়দের পদায়ন করা হয়েছে। তাদের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় রাখা হয়েছে। অথচ যারা বেশি মামলা, হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন; তারা বাদ পড়েছেন।

তারা আরও বলেন, ‘আগামী ১৬ ডিসেম্বরের আগে কমিটি পূর্ণাঙ্গ করে ত্যাগীদের স্থান দেওয়া হোক। অন্যথায় বঞ্চিত নেতাকর্মীরা আন্দোলন করতে বাধ্য হবেন, যার দায়ভার বর্তমান কমিটির ওপর পড়বে।’ গতকালের বৈঠকে মইনুল ইসলাম হিটু, তাজউদ্দিন মাহমুদ সাগর, সৈয়দ আবেদিন প্রিন্স, গিয়াস উদ্দিন মামুন, সেলিম রেজা, এম এ মিঠু, রাসেল মিয়া, মঈন উদ্দিন মজুমদার, সাইফ আলি খান, আবু বক্কর সিদ্দিক, মাহবুবুর রহমান বাচ্চু, নুরুল ইসলাম, আহসানুল্লাহ তুষার, আলাউদ্দিন খান, ব্যারিস্টার ওবায়দুর রহমান টিপু, অ্যাভোকেট সিরাজুল ইসলাম শাহজাহান, মুক্তার হোসেন সিকদার ও জাহাঙ্গীর আলম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।