নিউজিল্যান্ডের গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ শুরু

পাঠক যখন এই রিপোর্ট পড়ছেন, নিউজিল্যান্ড-উইন্ডিজ সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম দিনের খেলা শুরু হয়ে গেছে (প্রতিদিন ভোর ৪টা থেকে)। কিউইদের জন্য মহাগুরুত্বপূর্ণ সিরিজ এটি। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শীর্ষে ওঠার পথ তৈরি করতে পারে কিউইরা। এই সিরিজ এবং পরে পাকিস্তানের বিপক্ষে আরও দুই টেস্টের সিরিজ জিতলেই টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার দারুণ সুযোগ পেয়ে যাবে নিউজিল্যান্ড।

হ্যামিল্টনের সেডন পার্কে কিউইদের টেস্ট অভিযান শুরু হলো ৯ মাস পর। শেষবার ভারতের সঙ্গেই ২-০তে জিতেছিল তারা। কিন্তু মাঝের ৯ মাসে অনেক কিছুই বদলেছে। টেস্টের মেজাজে জড়তাও ধরেছে উইলিয়ামসনদের। এদিক থেকে এগিয়ে উন্ডিজ। করোনার সময়ে মাত্র ৬ টেস্ট খেলা হয়েছে। ইংল্যান্ডে এর তিনটিতেই খেলেছে জেসন হোল্ডারের দল। তাই টেস্টের মেজাজে তাদের মানিয়ে নেওয়া কিউইদের চেয়ে সহজ। সেই পথে হেঁটেই নিউজিল্যান্ডে নিজেদের বাজে অতীত বদলাতে চায় উইন্ডিজ। ১৯৯৯ সালের পর এই ২১ বছরে দেশটিতে টেস্ট জয়ের নজির নেই ক্যারিবিয়ানদের।

এই টেস্ট দিয়ে প্রথমবারের মতো সাদা পোশাক পরলেন ব্যাটসম্যান উইল ইয়ং। গত বছর বাংলাদেশের বিপক্ষে ক্রাইস্টচার্চ টেস্টে তার অভিষেক হওয়ার কথা। কিন্ত্র মসজিদে বন্দুকধারীর হামলায় সেই টেস্ট বাতিল হয়। এক বছর অপেক্ষার পর টেস্টে নামার সুযোগ হচ্ছে এই ব্যাটসম্যানের। হ্যামিল্টন নিউজিল্যান্ডের দুর্গ বলা যায়। ২০১২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে শেষবার এই মাঠে হেরেছিল। এরপর ছয় টেস্টে শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, উইন্ডিজ ও বাংলাদেশের বিপক্ষে জিতেছে এবং ইংল্যান্ডে ও প্রোটিয়াদের সঙ্গে ড্র করেছে এই মাঠে। অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন মাত্র ১৩ রান করলেই হ্যামিল্টনে ১০০০ রানের মাইলফলক ছোঁবেন। এই রেকর্ড আছে রস টেইলরের। এছাড়া টিম সাউদি মাত্র ৪ উইকেট পেলেই এই ভেন্যুতে ৫০ টেস্ট উইকেটের মাইলফলক ছোঁবেন। হ্যামিল্টনে এই রেকর্ড আছে মাত্র তিনজনেরÑ স্যার রিচার্ড হ্যাডলি, ক্রিস মার্টিন ও ড্যানিয়েল ভেট্টোরি।