রাঙ্গামাটির নানিয়ারচর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত দেহরক্ষী ধীমান চাকমাকে (৩৪) গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
রবিবার গভীর রাতে বাঘাইছড়ি উপজেলার পাকুজ্জাছড়ি এলাকায় তার নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের দাবি, বছরখানেক আগে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) থেকে পদত্যাগ করে জনসংহতি সমিতি (এমএন লারমা) দলে যোগদান করেন ধীমান। এর জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে জেএসএসের পক্ষ থেকে এ ধরনের অভিযোগকে অস্বীকার করা হয়েছে।
স্থানীয়রা আরও জানায়, গত শনিবার সন্ধ্যায় ছুটি নিয়ে বাড়ি আসেন ধীমান। রাতে ঘুমিয়ে ছিলেন তিনি। এরপর রাতের কোনো একসময় একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী ধীমানের বাড়িতে ঢzকে গুলি করে তার মৃত্যু নিশ্চিতের পর পালিয়ে যায়।
পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এমএন লারমা) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সুদর্শন চাকমা বলেন, ভোররাতে জেএসএসের একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী ধীমানকে তার বাসা থেকে ডেকে নিয়ে গুলি করে পালিয়ে যায়। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। পাশাপাশি ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাই।
বাঘাইছড়ি থানার ওসি আশরাফ উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত ব্যক্তি জেএসএস (এমএন লারমা) দলের সদস্য বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) বাঘাইছড়ি উপজেলা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান সদস্য ত্রিদীপ চাকমা বলেন, আমাদের দলে কোনো সন্ত্রাসী কার্যকলাপ নেই। এটি তাদের দলীয় কোন্দলের কারণেও ঘটতে পারে। আমরা পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছি।