আড়াই বছর পর মুখোমুখি লড়াইয়ে রোনালদো জিতেছেন, মেসি হেরেছেন। তবে ম্যাচের পর স্প্যানিশ গণমাধ্যম মোভিস্টারকে জুভেন্তাস তারকা বলেছেন, মেসিকে কখনই প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবেননি তিনি, ‘মেসির সঙ্গে আমার সম্পর্কটা বরাবরই আন্তরিক। তার সঙ্গে ১২, ১৩ কিংবা ১৪ বছর ধরে আমি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পুরস্কার ভাগাভাগি করেছি। আমি কখনই তাকে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখি না। ও সব সময়ই দলের জন্য সেরাটা করতে চায়। আমিও একই কাজ করি। তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক খুবই ভালো।’
তাহলে সময়ের সেরা ফুটবলার বেছে নেওয়া নিয়ে কেন এত প্রতিদ্বন্দ্বিতা? পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী পর্তুগিজ সুপারস্টারের ব্যাখ্যা ‘আমরা জানি যে, গণমাধ্যমের স্বার্থে, রোমাঞ্চের স্বার্থে ফুটবলে একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু তার ও আমার মধ্যে বোঝাপড়াটা খুবই ভালো। আমি সব সময় তাকে একইভাবে দেখে এসেছি।’
দুর্দান্ত জয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র উচ্ছ্বাসও প্রকাশ করেছেন রোনালদো, ‘স্পেন ও কাতালুনিয়ায় ফেরাটা সব সময়ই দারুণ ব্যাপার। আমার মুখোমুখি হওয়া দলগুলোর মধ্যে অন্যতম শক্তিশালী একটির বিপক্ষে ন্যু ক্যাম্পে খেলা সব সময়ই কঠিন। আজ (মঙ্গলবার) আমরা চ্যাম্পিয়ন দল ছিলাম। একটি সত্যিকারের শক্তিশালী ও একতাবদ্ধ পরিবার! এভাবে খেললে মৌসুমের শেষ পর্যন্ত আমাদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই।’ বার্সা জি গ্রুপে দ্বিতীয় হওয়ায় এখন শঙ্কায় প্রি-কোয়ার্টারে পড়তে হতে পারে লিভারপুল, ম্যানচেস্টার সিটি, বায়ার্ন মিউনিখ, চেলসি কিংবা বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের মতো দলের বিপক্ষে। তবে বার্সার কী হবে, সেটা বার্সার চিন্তা, রোনালদো নিজের দলকে গ্রুপসেরা করতে পেরেই তৃপ্ত, ‘ক্যাম্প ন্যুতে এসে আপনি যদি তিন গোল করেন, সে ক্ষেত্রে আপনার দলের গ্রুপে সেরা হওয়াই প্রাপ্য। বার্সা এই মুহূর্তে হয়তো ভালো খেলছে না, তবে এই জয়টা আমাদের মানসিকভাবে আরও শক্তি জোগাবে।’