আইপিও আবেদনের যোগ্যতা

১০ হাজার টাকা বিনিয়োগ থাকার প্রস্তাব

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) শেয়ার পেতে হলে ব্যক্তিশ্রেণির বিনিয়োগকারীকে সেকেন্ডারি বাজারে অন্তত ১০ হাজার টাকার বিনিয়োগ থাকতে হবে। আইপিওতে আবেদনের যোগ্যতা হিসেবে ন্যূনতম এই বিনিয়োগ থাকার শর্তারোপের প্রস্তাব করেছে এ-সংক্রান্ত কমিটি। সব ধরনের বিনিয়োগকারীকে সেকেন্ডারি বাজারে যুক্ত করতে এমন প্রস্তাব দিয়েছে কমিটি, যা পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা যাচাই-বাছাই করে অনুমোদন দেবে।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়ায় থাকা কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদনকারী সব বিনিয়োগকারীর শেয়ার প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে লটারি ও লটপ্রথা বিলুপ্ত করতে ৯ ডিসেম্বর সাত সদস্যের মূল্যায়ন কমিটি করে এসইসি। এসইসির পরিচালক মো. মনসুর রহমানকে প্রধান করে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ও সিডিবিএল থেকে দুজন করে প্রতিনিধি রাখা হয়। এই কমিটি আইপিও শেয়ার পেতে ব্যক্তিশ্রেণির বিনিয়োগকারীদের সেকেন্ডারি বাজারে ন্যূনতম বিনিয়োগ থাকার শর্ত দিয়ে এসইসিতে প্রস্তাব জমা দিয়েছে।

কমিটির প্রস্তাব অনুযায়ী, স্থিরমূল্য পদ্ধতির আইপিওতে একজন বিনিয়োগকারীর আবেদনের পরিমাণ বর্তমানের ৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার টাকায় উন্নীত করার সুপারিশ করেছে। আর বুক বিল্ডিং পদ্ধতির আইপিওতে আবেদনের পরিমাণ ২০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে। ব্যক্তিশ্রেণির একজন বিনিয়োগকারী একক ও যৌথ নামের বিও হিসাবে আইপিও আবেদন করতে পারবেন।