বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের ফাইনালে জেমকন খুলনার সঙ্গী হলো গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম।
মঙ্গলবার দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচে বেক্সিমকো ঢাকাকে ৭ উইকেটে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে মোহাম্মদ মিঠুনের নেতৃত্বাধীন চট্টগ্রাম। বিদায় নিতে হয়েছে মুশফিকুর রহিমের ঢাকাকে।
প্রথম কোয়ালিফায়ারে চট্টগ্রামকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে মাহমুদউল্লাহর খুলনা। ফাইনালেও সেই একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে লড়াই হবে তাদের। পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থেকে লিগ পর্ব শেষ করেছিল এই দুই দল। ১৮ ডিসেম্বর প্রতিযোগিতার ফাইনাল।
আগের দিন এলিমিনেটরে ফরচুন বরিশালকে বিদায় করে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে সুযোগ করে নেয় ঢাকা। তবে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করে মোটেও লড়ার মতো পুঁজি গড়তে পারেনি দলটি।
২০ ওভারে সব কটি উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১৬ রান সংগ্রহ করে দলটি। যা ৫ বল ও ৭ উইকেট হাতে রেখেই পেরিয়ে যায় শুরু থেকেই টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত খেলা চট্টগ্রাম।
তবে শেষ দিকে কিছুটা উত্তেজনার আভাস মিলেছিল।
ছোট্ট লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরু থেকেই সাবধানি ছিল চট্টগ্রামের ব্যাটাররা। ওপেনার সৌম্য সরকার ২৩ বলে ২৭ রান করে যখন ফেরেন, দলীয় স্কোর তখন ৪৪। এরপর লিটন দাস ও মোহাম্মদ মিঠুন ধীরস্থির খেলতে থাকেন।
আল-আমিনের করা ১৮তম ওভারে লিটনকে দুর্দান্ত ক্যাচে পরিণত করেন সাব্বির রহমান। ৪৯ বলে ৪ চারে ৪০ রান করেন লিটন। পরের ওভারে মোহাম্মদ মিঠুনকে শিকার বানান মুক্তার আলী। ৩৫ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় ৩৪ রান করেন তিনি।
অবশ্য সেই চাপ মোটেও জেঁকে বসতে দেননি শামসুর রহমান শুভ ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। দুজন দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছেড়েছেন। শামসুর ৯ ও মোসাদ্দেক ২ রানে অপরাজিত ছিলেন।
এর আগে চট্টগ্রামের পক্ষে মুশফিকুর রহিম ও শরিফুল ইসলাম দুর্দান্ত বোলিং করেছেন। ফিজ ৩টি ও শরিফুল নেন ২ উইকেট। অন্য যে চার বোলার হাত ঘুরিয়েছেন তারাও উইকেটের দেখা পেয়েছেন।
ঢাকার পক্ষে মুশফিক ও আল-আমিনের ব্যাট থেকে এসেছে সর্বোচ্চ ২৫ রান করে। ইয়াসির আলি রাব্বির ব্যাট থেকে আসে ২৪ রান। ম্যাচসেরা হয়েছেন চট্টগ্রামের মোস্তাফিজুর রহমান।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বেক্সিমকো ঢাকা
১১৬/১০ (২০ ওভার) (মুশফিক ২৫, আল-আমিন ২৫, ইয়াসির ২৪, নাঈম ১২; মোস্তাফিজ ৩২/৩, শরিফুল ১৭/২, নাহিদুল ১৫/১)।
গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম
লিটন ৪০, সৌম্য ২৭, মিঠুন ৩৪, শামসুর ৯*, মোসাদ্দেক ২*; মুক্তার ১/২৮, আল-আমিন ১/৪)
ফল: চট্টগ্রাম ৭ উইকেটে জয়ী
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: মোস্তাফিজুর রহমান (গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম)।