পাপিয়া ও তার স্বামী দুদকের রিমান্ডে

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কারাগার থেকে দুদক কার্যালয়ে আনা হয়েছে নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক শামীমা নূর পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমানকে। গতকাল সোমবার বিকেলে তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক শাহিন আরা মমতাজের নেতৃত্বে দুদকের তদন্তদল তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। গত ১৪ ডিসেম্বর আদালত তাদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য দেশ রূপান্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। প্রণব জানান, জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাতে পাপিয়া ও তার স্বামীকে রমনা থানা হাজতে রাখা হযেছে। অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গত ৪ আগস্ট দুপুরে পাপিয়ার বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের উপপরিচলক শাহীন আরা মমতাজ। মামলায় পাপিয়ার বিরুদ্ধে ৬ কোটি ২৪ লাখ ১৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানে পাওয়া পাপিয়ার অবৈধ সম্পদের মধ্যে আছে বিলাসবহুল হোটেল ওয়েস্টিনে বিল হিসাবে জমা দেওয়া সাড়ে ৩ কোটি টাকা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে উদ্ধার করা ৬০ লাখ টাকা ও নরসিংদীর একটি বাড়ি। এর আগে গত ২০ জুলাই বিশেষ ব্যবস্থায় পাপিয়া ও তার স্বামী মো. মফিজুর রহমান ওরফে সুমন চৌধুরীকে কাশিমপুর জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক।

পাপিয়া ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, জাল টাকার ব্যবসা ও অন্যান্য উপায়ে কোটি কোটি টাকা আয় করে বিদেশে পাচারসহ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ ছিল। চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি পাপিয়া ও তার স্বামী বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার সময় ঢাকা বিমানবন্দর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। গ্রেপ্তারের পর কয়েক দফা রিমান্ড শেষে পাপিয়া কাশিমপুর নারী কারাগারে ছিলেন।