ক্ষমতা ছাড়ার আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঝামেলা পাকাবেন সেই শঙ্কা ছিল। তবে সেটা যে ক্যাপিটল ভবনে সংঘাতের জন্ম দিয়ে ২০৬ বছরের পুরোনো স্মৃতি ফিরিয়ে আনবে তা হয়তো কেউ ভাবেননি।
স্থানীয় সময় বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্ট ভবন ক্যাপিটলে নজিরবিহীন হামলা চালায় ট্রাম্প সমর্থকরা। রক্তক্ষয়ী সংঘাতে মারা যায় কমপক্ষে চারজন। এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮০ জনের বেশি।
ক্যাপিটল ভবন দখলে নিয়ে তাণ্ডব চালানো হয় কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভস তথা প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্র্যাট দলীয় স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির কক্ষেও।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি স্থিরচিত্রে দেখা যায়, পেলোসির কক্ষে তার চেয়ারে বসে টেবিলে এক পা তুলে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন এক ট্রাম্প সমর্থক।
আনন্দবাজার জানায়, ক্যাপিটল ভবনে হামলাকারীদের হাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ট্রাম্পের নাম লেখা পতাকার সঙ্গে ভারতের তেরঙা পতাকাও দেখা গেছে।
হামলার সময় ‘হাউডি মোদি’র (যুক্তরাষ্ট্রে মোদির সমাবেশের টাইটেল নাম) কেউ ঢোকেননি তো?- এমন প্রশ্ন ইতিহাসের শিক্ষক সুগত বসুর।
এদিকে ক্যাপিটল ভবনে হামলার ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিক্ষোভ দমাতে পুলিশের ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে দ্বৈতনীতির অভিযোগ করেছেন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস।
সুগত বসুর মতে, কয়েক মাস আগে ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’ আন্দোলনের সময়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভবন রক্ষায় আমেরিকার পুলিশ-প্রশাসন সামরিকসজ্জায় পথে নেমেছিল। শ্বেতাঙ্গ ট্রাম্প সমর্থকদের প্রতি তুলনায় নরম মনোভাবটাই প্রকট হয়েছে।