রূপগঞ্জে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সশস্ত্র হামলা, গুলি, আহত ১

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে একটি আবাসন প্রকল্পের সাইট অফিসে হামলা ভাঙচুর, গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটনাটা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।  

এ সময় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থাকা কেয়ারটেকারকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। গত রবিবার রাতে উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভার মায়ার বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

সোমবার দুপুরে এ ঘটনায় আবাসন প্রকল্পের ইনচার্জ কবির হোসেন বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দেন।

আবাসন প্রকল্পের সাইট অফিসের ইনচার্জ কবির হোসেন জানান, তিনি উপজেলার কাঞ্চন মায়ারবাড়ি এলাকায় তরিকুল ইসলাম মোগলের একটি আবাসন প্রকল্পের সাইড অফিসের ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

গত রবিবার রাতে ইনচার্জ কবির হোসেন ও কেয়ারটেকার শাহীনসহ ১০/১২ জন মিলে আবাসন প্রকল্পের সাইট অফিসে ব্যবসায়িক বিষয়াদি নিয়ে আলাপ আলোচনা করছিল। আলাপ চলাকালীন সময় রাজনৈতিক বিরোধের জের ধরে একই এলাকার গোলাম রসূল কলি, রবিউল ইসলাম, মতিউর রহমান, ইসলাম উদ্দিন, নবীউল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম, সিরাজ মিয়া,  মোহন, খোকা, আইবুর রহমান, টুটুল শাহজাহান, মঞ্জুর আলম, আব্দুল জলিল, আনোয়ার, নূর হোসেন, আলমগীর, নবী উল্লাহ, হিমেল, শাখাওয়াত, আলী হোসেন, আলামিন, মোমেন প্রধান, মামুন মিয়া, তোফাজ্জল হোসেন, কাকঁন মিয়াসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ও পিস্তলসহ ল্যান্ড প্রপার্টিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ভাঙচুর চালাতে থাকে। এ সময় শাহীন মিয়া ভাঙচুরে বাঁধা প্রদান করলে গোলাম রসূল কলি ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যরা তাকে এলোপাতাড়িভাবে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।

এ সময় তারা শাহীন মিয়াকে লক্ষ্য করে দুই রাউন্ড গুলি ছুড়লে তা ভ্রষ্ট হয়। পরে সন্ত্রাসীরা অফিসের টেলিভিশন, ল্যাপটপসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি করে হুমকি ধামকি দিয়ে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে শাহীন মিয়াকে আহত অবস্থায় রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

এ ব্যাপারে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যে বলে দাবি করেন।  

রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, এ ধরনের অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্ত মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।