দ্বিতীয় ধাপে কিশোরগঞ্জ সদর ও কুলিয়ারচর পৌরসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণের আর মাত্র দুদিন বাকি। আজ বৃহস্পতিবার মধ্যরাতেই সব ধরনের প্রচারণা শেষ হচ্ছে। আর তাই ভোর থেকে শুরু করে মধ্যরাত পর্যন্ত ভোট চাইতে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন প্রার্থীরা। ভোটকে সামনে রেখে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের পদচারণায়মুখর শহরের প্রতিটি পাড়া-মহল্লা। বিজয়ী হওয়ার লক্ষ্যে গত এক মাস ধরেই জোরালো প্রচার চালিয়েছেন তারা। প্রার্থীরাও দিয়েছেন নানা প্রতিশ্রুতি। ভোটগ্রহণের দিনক্ষণ ঘনিয়ে আসায় চায়ের দোকান ও প্রতিটি আড্ডায় এখন শুধুই নির্বাচনী আলোচনা।
রিটার্নিং অফিসার কার্যালয় সূত্র জানায়, ১৬ জানুয়ারি (শনিবার) কিশোরগঞ্জ জেলার ওই দুটি পৌরসভায় সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। এর মধ্যে কিশোরগঞ্জ পৌরসভায় ২৮টি ভোটকেন্দ্রে ৭১ হাজার ৮৪ জন ব্যালটে তাদের ভোট প্রদান করবেন। মেয়র পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান মেয়র মো. পারভেজ মিয়া, বিএনপি প্রার্থী মো. ইসরাইল মিঞা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী মো. নজরুল ইসলাম, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) প্রার্থী মো. স্বপন মিয়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৫৯ ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ২২ জন লড়াই করছেন।
অন্যদিকে কুলিয়ারচর পৌরসভায় ১২টি ভোটকেন্দ্রে ২৫ হাজার ১৪৩ জন ভোটার প্রথমবারের মতো ইভিএমে ভোট দেবেন। মেয়র পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ হাসান সারওয়ার মহসিন ও বিএনপি মনোনীত উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক পৌর মেয়র নূরুল মিল্লাত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাছাড়া সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪২ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১১ জন অংশগ্রহণ করবেন।
আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র মো. পারভেজ মিয়া বলেন, ‘এর আগেও পৌরবাসী আমাকে ভালোবেসে ভোটের মাধ্যমে মেয়র পদে বিজয়ী করেছেন, এবারও তার কোনো বিকল্প হবে না তেমনটাই প্রত্যাশা রাখি।’
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. ইসরাইল মিঞা বলেন, ‘যদি সুষ্ঠু নির্বাচন হয়, তাহলে বিপুল ভোটের মাধ্যমে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে আমার বিজয় নিশ্চিত।’
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ আশ্রাফুল আলম জানান, নির্বাচন সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি হাতে নেওয়া হয়েছে।