ভারতের বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ড. দেবি শেঠি করোনার টিকা নেয়ার পর দারুণ বোধ করছেন এবং গর্ববোধ করছেন বলে জানিয়েছেন। গণমাধ্যমের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলার সময় তাকে বেশ প্রফুল্ল দেখাচ্ছিল।
সোমবার তিনি ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাসট্রাজেনেকার 'কোভি শিল্ড' টেকা নেন।
এরপর এনডিটিভিকে নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে ভারতের নারায়না ইনস্টিটিউট অব কার্ডিয়াক সায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা দেবি শেঠি বলেন, আমি খুব ভালো বোধ করছি, দারুণ বোধ করছি। একজন ভারতীয় হিসেবে আমি আজ গর্বিত। বিশ্বের যে অল্প কিছু দেশে করোনার টিকা উৎপাদিত হচ্ছে তার একটি ভারত।
তিনি ভারত সরকারকে টিকা উৎপাদন, বিপণন ও প্রদানের বৃহৎ যজ্ঞ সফলভাবে শুরু করার জন্য ধন্যবাদ দেন ও কৃতজ্ঞতা জানান।
আগামী দুই মাসে ভারত তার অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে টিকা দিতে সক্ষম হবে বলে আশা করেন দেবি শেঠি।
শনিবার ভারত বিশ্বের বৃহত্তম টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনে সবাইকে দুই ডোজ নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মানার আহ্বান জানান।
ব্রিটিশ-সুইডিশ সংস্থা অ্যাস্ট্রাজেনেকা এবং অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির প্রযুক্তি নিয়ে সিরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি কোভিশিল্ড এবং ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন, এই দু’টি প্রতিষেধক নিয়েই ভারতে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। তার জন্য সব রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ৩ হাজার ৬টি টিকাকরণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে।
প্রথম দফায় সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যকর্মীদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। প্রথম দিনে প্রতিটি কেন্দ্রে ১০০ জনের শরীরে প্রতিষেধক প্রয়োগের লক্ষ্য রাখা হয়েছে। প্রথম দিনেই প্রায় ৩ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী প্রতিষেধক নেন।