গিনেসে পাঠানো হচ্ছে শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধুর ছবি

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম লেখাতে ‘শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু’র ধান গাছের চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরের (বিএনসিসি) ১০০ সদস্য এবং ৫০ শ্রমিক-কর্মচারী গত বৃহস্পতিবার এটি সম্পন্ন করেন। চীন থেকে আনা বেগুনি ধান ও দেশীয় সবুজ ধানগাছের সমন্বয়ে বঙ্গবন্ধুকে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। আগামী ২১ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই গিনেস কর্র্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সব ডকুমেন্ট পাঠানো হবে। গতকাল শুক্রবার ‘শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু’ বিষয়ে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে কৃষি বিষয়ক সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়। সভায় বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরামের সদস্যরা অংশ নেন।

সভায় জানানো হয়, বগুড়ার শিবগঞ্জের শেরপুর উপজেলার বালেন্দা গ্রামের এই কার্যক্রমে খরচ হবে প্রায় দেড় কোটি টাকা। চীন থেকে বেগুনি ধান এবং দেশীয় সবুজ জনকরাজ ধানের চারা দিয়ে বঙ্গবন্ধুর অবয়ব দৃশ্যমান করা হবে। ধান পাকার পর গোঁফ, চোখ, চুল, ভ্রু খয়েরি আর অন্য অংশ সোনালি রঙের হবে। ওপর থেকে মাঠের মধ্যে স্পষ্ট প্রতিকৃতি দেখা যাবে। আগামী ১০ দিন পর থেকেই অনেকটা দৃশ্যমান হবে মুখচ্ছবি। মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে ন্যাশনাল অ্যাগ্রিকেয়ার নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা নিয়ে ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় পরিষদ’ দুই মাস আগে ১০৫ বিঘা জমিতে এই কাজের প্রস্তুতি শুরু করে। এর আয়তন ১২ লাখ ৯২ হাজার বর্গফুট। লার্জেস্ট ক্রপ ফিল্ড মোজাইক (ইমেজ) শাখার নতুন রেকর্ড হবে এটি। বর্তমানে রেকর্ডটি চীনের দখলে। ১৯১৯ সালে ৭৯ হাজার ৫০৫.১৯ বর্গমিটার আয়তনের জমিতে চার রঙের ধানের চারায় কাউ ফিশের ছবি ফুটিয়ে তুলে সাংহাইয়ের লেজিদাও ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিডেট ওই রেকর্ড গড়েছিল।

সভায় এ কার্যক্রমের আহ্বায়ক ও প্রধান সমন্বয়ক আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ‘আমরা এ কার্যক্রম অনেক আগে শুরু করেছি। বিদেশ থেকে বীজ এনেছি। গিনেস কর্র্তৃপক্ষ নির্দেশিত পথে আমরা চলছি। পূর্বের সকল রেকর্ড সম্পর্কে আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে। আমাদের আয়োজন বিশ্বের সর্ববৃহৎ এবং কোনো নেতার প্রথম এত বড় মুখচ্ছবি। বিশ্ববাসীর কাছে আমরা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে এ আয়োজন স্মরণীয় করে রাখতে চাই। আমরা মুজিববর্ষে সব সেরা প্রোগ্রাম করতে চাই। আশা করছি ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনে আমরা নতুন এ বিশ্বরেকর্ড অর্জন এবং উদযাপন করতে পারব।’