বাঁহাতি স্পিনারকে খেলার সময় লেগস্ট্যাম্প দেখা যাচ্ছে। আবার ডানহাতিকে খেলার সময় লেগ-মিডলে পজিশন। বাংলাদেশ অধিনায়ক মুমিনুল হককে চট্টগ্রাম টেস্টের চতুর্থদিন এভাবে ব্যাটিং করতে দেখা গেছে।
স্ট্যান্সের এই পরিবর্তন আনার পর শনিবার মুমিনুলকে বেশ স্বাচ্ছন্দ্য মনে হয়েছে। বাংলাদেশের লিডও তাতে বড় হয়েছে। লাঞ্চে যাওয়ার আগে ৩২০।
মুমিনুল এমনিতে ফোর্থ স্ট্যাম্পে (অফস্টাম্পের বাইরে) কিছুটা ‘দুর্বল’। বেরিয়ে যাওয়া বলে হুটহাট ব্যাট চালিয়ে দেন। অথচ বডি থাকে দূরে। বদলে যাওয়া সারফেইসে বাঁহাতি স্পিনারের বিপক্ষে, বিশেষ করে ওয়ারিকেনকে খেলতে তাই মুমিনুল খানিকটা সামনে স্ট্যান্স নিয়ে ব্যাট করছেন।
বাংলাদেশের ক্রিকেটে টেস্ট স্পেশালিস্ট বলে পরিচিত মুমিনুল এই প্রতিবেদন লেখার সময় ৮৩ রানে অপরাজিত আছেন। ১২৭ বলে ৯টি চার মেরেছেন তিনি। তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন লিটন দাস (৩৮)।
সকালের কন্ডিশনে অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিক বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি। ১৮ রান করে তিনি যখন ফেরেন, তখন লিড ছিল ২৪৪।
মুশফিককে ফেরান রাকিম কর্নওয়াল। এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন সাবেক অধিনায়ককে।
এর আগে তৃতীয় দিন ১৭১ রানের লিড নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। রানের খাতা খোলার আগেই ফিরে যান তামিম ইকবাল। মাত্র চারটি বল খেলতে পারেন তিনি। তাকেও এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন রাকিম কর্নওয়াল। রাকিমের ওই ওভারেই পথ ধরেন শান্ত। ২ বল খেলে কোনো রান না করেই ক্যাচ দেন ব্ল্যাকউডের হাতে। পরে ১৫তম ওভারে সাদমান ইসলামকে ফেরান গ্যাব্রিয়েল। ৪২ বল খেলে ৫ রান করতে পারেন তিনি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংসে করতে পারে ২৫৯। ২৩ বলের এক ঝড়ে তাদের গুটিয়ে দেন মেহেদী হাসান মিরাজরা। মিরাজ প্রথম ইনিংসে ক্যারিয়ারের প্রথম শতক হাঁকানোর পাশাপাশি বল হাতে ৪ উইকেট শিকার করেন।