​সালমানকে বিয়ে করতে পাকিস্তান ছাড়েন সোমি

অসংখ্য অভিনেত্রীর সঙ্গে প্রেমে জড়িয়েছিলেন সালমান খান। তাদের মধ্যে অন্যতম পাকিস্তানি অভিনেত্রী সোমি আলী। সম্প্রতি তিনি জানান, বলিউড সুপারস্টারকে বিয়ে করাই ছিল একমাত্র স্বপ্ন।

নায়ক হিসেবে সালমানের একক সিনেমা ছিল ‘ম্যায়নে প্যায়ার কিয়া’। সেই ছবি দেখার পর প্রেমে হাবুডুবু খেতে শুরু করেন সোমি। সিদ্ধান্ত নেন ভারতে আসার।

সাক্ষাৎকারে জানান, ‘ম্যায়নে প্যায়ার কিয়া’ দেখার পরই সালমানকে ভালো লেগে যায়। তাকে বিয়ে করার জন্য ভারতে আসবেন বলে স্পষ্ট জানিয়ে পরিবারকে। মেয়ের কথা শুনে ভড়কে যান সোমি আলীর মা। মেয়ে যাতে ওই ধরনের কিছু না করেন তার জন্য নজরবন্দি করে রাখা হয়।

একদিন মাঝ রাতে সালমানের স্বপ্ন দেখে জেগে উঠলে বাবার সঙ্গে কথা বলেন সোমি। ওই সময় ভারতে আসার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন। মুম্বাইতে বেশ কয়েকজন আত্মীয় রয়েছেন, তাদের সঙ্গে দেখা করতে চান— বাবাকে ওই কথা জানিয়েই দেশ ছাড়েন সোমি।

ভারতে আসার পর মডেলিং জগতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। পাশাপাশি অভিনয়ও শুরু করেন। ওই সময় সালমান খান ও সোমি আলীর মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে, তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয় বলিউড। টানা ৮ বছর সম্পর্কের পর তাদের ব্রেকআপ হয়।

শোনা যায়, ঐশ্বরিয়া রাইয়ের জন্যই নাকি সালমানের সঙ্গে সোমির বিচ্ছেদ হয়। সাক্ষাৎকারে বিষয়টি স্বীকার করেন তিনি।

সোমি স্পষ্ট জানান, ঐশ্বরিয়ার কারণে সালমানের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় তার। সঞ্জয় লীলা বানশালির ‘হাম দিল দে চুকে সনম’-এ অভিনয়ের সময় এ ঘটনা ঘটে। তবে সালমান ও ঐশ্বরিয়ার সম্পর্কও বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। সালমান শারীরিক হেনস্থা করেছেন— এ অভিযোগ তুলে সরে আসেন সাবেক বিশ্বসুন্দরী।

সালমানের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর সোমি আর ভারতে থাকেননি। যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে বাকি থাকা পড়াশোনা শেষ করেন। এরপর থেকে সেখানেই আছেন। বর্তমানে নিজের প্রতিষ্ঠিত এনজিও নিয়ে ব্যস্ত সোমি।