স্পার্সের সঙ্গে ৯ গোলের থ্রিলার জিতল এভারটন

টটেনহ্যামের বিপক্ষে ৯ গোলের থ্রিলার জিতে এফএ কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে এভারটন। নিজেদের মাঠে ৫ গোলের প্রথমার্ধে ৩-২ গোলে এগিয়ে ছিল তারা। বিরতির পর খেলায় ৩-৩-এ সমতা আনেন অতিথিরা। ৬৮ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় এভারটন। ৮৩ মিনিটে অধিনায়ক হ্যারি কেইন আবার সমতা ফেরান স্পার্সদের হয়ে। খেলা অতিরিক্ত সময়ে গড়ালে সপ্তম মিনিটে বার্নাড পঞ্চম গোল করেন এভারটনের। ওই গোলই জয়সূচক হয়ে থাকে। এভারটন ছাড়া ম্যানচেস্টারের দুই দলই শেষ আটে উঠেছে। এভারটনের বিপক্ষে ম্যাচটি ১৯৬১ সালের পর এফএ কাপে সবচেয়ে হাই স্কোরিং ম্যাচ। ইনজুরি থেকে ফেরা হ্যারি কেইনকে একাদশের বাইরে রেখে দল সাজিয়েছিলেন মরিনহো। ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই ডেভিনসন সানচেজের গোলে এগিয়ে যায় টটেনহ্যাম। ৩৬ মিনিটে ডমিনিক কালভার্ট-লুইন গোল করে সমতায় ফেরান এভারটনকে। দুই মিনিট পর ব্রাজিলিয়ান রিচার্লিসন আর ৪৩ মিনিটে সিগার্ডসন এভারটনকে এগিয়ে নেন পেনাল্টি গোলে। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে ব্যবধান ৩-২-এ নামিয়ে আনেন এরিক লামেলা। ৫২ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন কেইন। ৫৭ মিনিটে সানসেজের দ্বিতীয় গোলে ৩-৩ হয় খেলা। ৬৮ মিনিটে এভারটনকে আবারও এগিয়ে দেন রিচার্লিসন। ৮৩ মিনিটে কেইন গোল করলে খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অতিরিক্ত সময়ের সপ্তম মিনিটে গোল করেন বার্নাড। ওই গোলটি হয় জয়সূচক।

রক্ষণভাগের সমালোচনা করে স্পার্স কোচ মরিনহো বলেন, ‘ম্যাচে যখন কেউ ৪ গোল করতে পারে, তাহলে সে জিততেও পারে। আমরা যেভাবে খেলেছি, তাতে আমাদেরই জেতা উচিত ছিল। এ ধরনের খেলার পর একটা দল তখনই হারবে, যখন আপনি ডিফেন্সে ভয়াবহ সব ভুল করবেন।’ এই মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে সাউদাম্পটনের কাছে টটেনহ্যাম হেরেছিল ২-৫ গোলে। ওয়েস্ট হ্যামের সঙ্গে ৩-০তে এগিয়ে গিয়েও ৩-৩ গোলে ড্র করেছিল টটেনহ্যাম। তাই দলের ডিফেন্স নিয়ে ভাবতে হচ্ছে মরিনহোকে।

অপর ম্যাচে সোয়ানসির মাঠে ম্যানসিটির হয়ে গোল তিনটি করেন কাইল ওয়াকার, রাহিম স্টার্লিং ও গ্যাব্রিয়েল জেসুস। সোয়ানসির হয়ে এক গোল শোধ দেন মরগান। সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা ১৫ ম্যাচ জিতল ম্যানসিটি। তাতে ইংল্যান্ডের পেশাদার দল হিসেবে সবচেয়ে বেশি টানা জয়ে রেকর্ডটি এখন সিটির দখলে। এর আগে ১৮৯২ সালে প্রিস্টন এবং ১৯৮৭ সালে আর্সেনাল টানা ১৪ ম্যাচ জিতেছিল। ম্যানচেস্টার সিটির কোচ হিসেবে গার্দিওলার ২০০তম জয় এটি।