ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব আলহাজ্ব মাওলানা কাজী মো. আনোয়ারুল ইসলাম খান আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
শনিবার রাত ৮টায় চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসসহ নানা রোগে ভুগছিলেন।
তার ছোট ভাই ব্যাংকার আরিফুল ইসলাম খান জানান, তাকে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে নগরীর পার্কভিউ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার কোভিড ১৯ টেস্ট করানো হলে ফলাফল নেগেটিভ আসে। এ অবস্থায় ১৭ ফেব্রুয়ারি তার ফুসফুসের ইনফেকশন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়াতে সেখানকার চিকিৎসকেরা তাকে জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে রেফার্ড করেন। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ রাত আটটার দিকে তিনি ইন্তেকাল করেন।
মাওলানা কাজী মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম খান দক্ষিণ চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ফয়জুলবারী ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ছিলেন এবং নগরীর বাকলিয়া থানাধীন রাহাত্তারপুল নুর বেগম জামে মসজিদের খতিবের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।
তিনি পটিয়া উপজেলা হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের হুলাইন গ্রামের ফখর খান বাড়ির মরহুম আলহাজ্ব আবদুস সোবহান খানের প্রথম ছেলে।
মৃত্যুকালে তিনি ২ ছেলে ১ মেয়ে ও ভাইবোনসহ অসংখ্য শিক্ষার্থী এবং রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন।
তার মৃত্যুতে ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মাওলানা জয়নুল আবেদিন জুবাইর, পটিয়ার সংসদ সদস্য হুইপ সামশুল হক চৌধুরী, উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলামসহ আরও অনেকেই। তার রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে।
এদিকে মাওলানা মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম খানের কর্মস্থল ফয়জুলবারী ফাজিল মাদ্রাসায় তাকে রাত এগারোটার দিকে নেয়া হয়েছে। সেখানে মরহুমের মাগফিরাত কামনা করে খতমে কুরআন ও মোনাজাত শেষে তার গ্রামের বাড়িতে রাখা হবে।
রবিবার দুপুর ২টায় হুলাইন সালেহ্ নুর ডিগ্রি কলেজ মাঠে মরহুমের নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।