পঞ্চম শ্রেণি : বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

অধ্যায় : আমাদের মুক্তিযুদ্ধ

যোগ্যতাভিত্তিক কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন

(গত সংখ্যার পর)

৫. মুক্তিযুদ্ধ কী? মুক্তিযুদ্ধ কেন হয়েছিল? মুক্তিযুদ্ধে ভারত আমাদের যে সাহায্য করেছিল তা ৫টি বাক্যে লেখ।

উত্তর : মুক্তির জন্য যে যুদ্ধ করা হয় তাই মুক্তিযুদ্ধ, যেমন বাংলাদেশের ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ।

পাকিস্তানের শাসন ও শোষণ থেকে দেশকে স্বাধীন করার জন্য মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল।

মুক্তিযুদ্ধে ভারত আমাদের যেভাবে সাহায্য করেছিল তা নিচে দেওয়া হলো

ক. এদেশের প্রায় এক কোটি শরণার্থীকে ভারত আশ্রয় দিয়েছিল।

খ. শরণার্থীদের থাকা, খাওয়া ও চিকিৎসা সেবা দিয়েছিল।

গ. ভারত মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র ও সেনাবাহিনী দিয়ে সহায়তা করেছিল।

ঘ. ভারত মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ এর ব্যবস্থা করেছিল।

ঙ. মুক্তিযুদ্ধে সহযোগিতার জন্য ভারত মিত্রবাহিনী নামে সহায়তাকারী বাহিনী গঠন করেছিল।

৬. কখন মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়? কেন মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়? মুক্তিযুদ্ধের সময় এদেশের ৪টি ক্ষয়ক্ষতি উল্লেখ করো।

উত্তর : ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়। বাংলাদেশকে স্বাধীন করার জন্য মুক্তিযুদ্ধ হয়।

মুক্তিযুদ্ধের সময় এদেশের ৪টি ক্ষয়ক্ষতি নিচে দেওয়া হলো

ক. কয়েক লাখ আহত এবং প্রায় ৩০ লাখ মানুষ শহীদ হয়।

খ. এক কোটির বেশি মানুষ গৃহহীন হয়ে ভারতে আশ্রয় নেয়।

গ. অনেক ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, সেতু ধ্বংস হয়ে যায়।

ঘ. স্কুল, কলেজ, অফিস-আদালত ধ্বংস হয়ে যায়।

৭. মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা কী লাভ করেছি? মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল কেন? একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মান দেখানোর ৪টি উপায় লেখ।

উত্তর : মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ লাভ করেছি। পাকিস্তানের শাসন ও শোষণ থেকে এদেশের মানুষদের রক্ষা করা ও দেশকে স্বাধীন করার জন্য মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।

একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মান জানানোর ৪টি উপায় হলো

ক. বিদ্যালয়ের কোনো অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো।

খ. বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া।

গ. বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে ফুল দিয়ে বরণ করা।

ঘ. প্রধান অতিথির বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া।

৮. মুক্তিবাহিনী কখন গঠন করা হয়? মুক্তিবাহিনীর প্রধান ও উপ-প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন? মুক্তিবাহিনীর ব্রিগেড ফোর্সগুলো উল্লেখ কর?

উত্তর : ১৯৭১ সালের ১১ জুলাই মুক্তিবাহিনী গঠন করা হয়। 

মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন জেনারেল মুহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানী। উপ-প্রধান সেনাপতি ছিলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।

মুক্তিবাহিনীকে তিনটি ব্রিগেড ফোর্সে ভাগ করা হয়েছিল :

ক. মেজর খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে কে ফোর্স।

খ. মেজর কে এম শফিউল্লাহর নেতৃত্বে এস ফোর্স।

গ. মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জেড ফোর্স।