ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী, প্রশাসন ও পুলিশের বিরুদ্ধে ১২ দফা অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক খোকন। গতকাল বুধবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন হয়।
এ সময় তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘন করে ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্কুল চত্বরে বিরাটাকার কার্যালয় বানিয়েছেন। তিনি পৌর এলাকায় পাঁচটি কার্যালয়ের স্থলে ৫০টিরও বেশি অফিস করেছেন। নির্বাচনী এলাকার বাইরে থেকে লোক আনিয়ে মিছিল, সমাবেশ ও হোন্ডা-মাইক্রোবাস শোডাউন করছেন। সরকারি দলের নেতাকর্মীরা সভা-সমাবেশে নৌকা প্রতীকে প্রকাশ্যে ভোট দেওয়ার বক্তব্য দিচ্ছেন। নৌকার প্রার্থীর পক্ষে বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করে এবং অস্ত্র-বোমার ভয় দেখিয়ে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন।
তিনি আরও বলেন, পুলিশ অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার ছাড়াও বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হয়রানি করছে। আমার কর্মীদের ক্রসফায়ারের ভয় দেখানো হচ্ছে। এসব বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না। প্রশাসন নৌকার প্রার্থী ও সমর্থকদের নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলেও আমার সমর্থকদের অন্যায়ভাবে মোবাইল কোর্ট করে জরিমানা করছেন।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জিল্লুর রহমান, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা, সাবেক সহসভাপতি শফিকুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোমিনুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে কিশোরগঞ্জের ভৈরবে সংবাদ সম্মেলন করে পৌর নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ও দলটির নেতারা। এ সময় নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেওয়ারও অভিযোগ করেন তারা।
গতকাল দুপুরে ভৈরব উপজেলা বিএনপি সংবাদ সম্মেলন করে এসব দাবি ও অভিযোগ করে। শহরের কমলপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম।
এ সময় বিএনপি দলীয় প্রার্থী সাবেক মেয়র হাজি মো. শাহিন ছাড়াও বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি শরীফুল আলম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক প্যানেল মেয়র আরিফুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থী হাজি শাহিন বলেন, গত তিন দিন ধরে আমার প্রচার-প্রচারণায় বাধা দিচ্ছে যুবলীগ নেতারা।