শ্রদ্ধা ভালোবাসায় চিরনিদ্রায় সৈয়দ আবুল মকসুদ

সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা নিবেদনের পর রাজধানীর আজিমপুর কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন প্রাবন্ধিক, কলামিস্ট ও গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদ। এর আগে মঙ্গলবার রাতে ধানম-ি ৩২ নম্বরের তাকওয়া মসজিদে প্রথম জানাজা এবং গতকাল দুুপুর আড়াইটায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

গতকাল দুপুর আড়াইটায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে আনা হয় সৈয়দ আবুল মকসুদের মরদেহ। সেখানে দ্বিতীয় জানাজায় অংশ নেয় তার দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও শুভাকাক্সক্ষীরা। এরপর সৈয়দ আবুল মকসুদের মরদেহে ফুলেল শ্রদ্ধা জানায় প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শওকত মাহমুদ, বিএফইউজে, ডিইউজে, বাসস, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, পিআইবি, সাব এডিটরস কাউন্সিলের নেতারা।

আবুল মকসুদের ছেলে নাসিফ মকসুদ বলেন, জীবনের বেশিরভাগ সময় মানুষের কল্যাণে তিনি লিখতেন। হঠাৎ প্রয়াণে হতবিহ্বল হয়ে পড়েছি।

শ্রদ্ধা জানিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, উদার ও সাদামনের মানুষ ছিলেন সৈয়দ আবুল মকসুদ। মানুষের ভালো কাজের আলোচনা করতেন ও অন্যায় কাজের সমালোচনা করতেন। এরপর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হয় সৈয়দ আবুল মকসুদের মরদেহ। সেখানে আওয়ামী লীগের পক্ষে তাকে শ্রদ্ধা জানান কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক।  আরও শ্রদ্ধা জানায় আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সংসদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ, বাসদ, জাসদ, ছাত্র ইউনিয়ন, যুব ইউনিয়ন, বাংলা একাডেমি, গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, বাম গণতান্ত্রিক জোট, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, ভাসানী অনুসারী পরিষদ, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, আদিবাসী ফোরামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।

শহীদ মিনারের ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদনের পর মরদেহ নেওয়া হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে। সেখানে তৃতীয় ও শেষ জানাজা শেষে তাকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়।