এক ঝলকে

‘বম্বে বেগমস’ বন্ধের নোটিস

গত সপ্তাহে মুক্তি পেয়েছে নেটফ্লিক্সের অরিজিনাল সিরিজ ‘বম্বে বেগমস’। ভারত তো বটেই, বাংলাদেশের নেটফ্লিক্স দর্শকদের কাছেও এটি এক নম্বর অবস্থানে আছে। তবে এর মধ্যে এলো দুঃসংবাদ। সিরিজটির সম্প্রচার বন্ধ করার আবেদন জানাল ভারতের জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশন। অভিযোগ, এতে শিশুদের ‘অনুপযুক্ত’ভাবে তুলে ধরা হয়েছে। গত ১১ মার্চ কমিশন নেটফ্লিক্সের কাছে পুরো সিরিজটি নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন চেয়েছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সেটি না হলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে। এ সিরিজটিতে শিশুদের অনুপযুক্ত দৃশ্যায়ন শিশুমনকে নষ্ট করতে পারে বলে অভিমত জানিয়েছে ভারতের জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশন। এ ধরনের দৃশ্য শিশু নির্যাতন ও শোষণ ত্বরান্বিত করতে পারে বলেও মনে করছে তারা। তা-ই নয়, কমিশন মনে করছে এ সিরিজটির মাধ্যমে শিশুদের যৌনাচার ও মাদক সেবনকে স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে দেখানো হচ্ছে। দেশটির একাধিক গণমাধ্যম জানায়, নোটিসে কমিশন লিখেছে, শিশুদের নিয়ে বা শিশুদের জন্য কোনো কনটেন্ট দেখানোর সময় নেটফ্লিক্সের আরও সতর্ক হওয়া উচিত অথবা এ ধরনের বিষয়গুলোকে এড়িয়ে যাওয়াই উত্তম। মুম্বাই শহরের নানা শ্রেণি থেকে উঠে আসা নারীদের জীবনের গল্প নিয়ে সাজানো হয়েছে ‘বম্বে বেগমস’। প্রধান চরিত্রে দেখা যাচ্ছে পূজা ভাট, সাহানা গোস্বামীর মতো অভিনেত্রীদের। পরিচালনা করেছেন অলঙ্কৃতা শ্রীবাস্তব।

মেগানের পাশে বিয়ন্সে ও সোফি

জনপ্রিয় মার্কিন উপস্থাপক অপরাহ উইনফ্রেকে দেওয়া বিশেষ এক সাক্ষাৎকারে ব্রিটিশ রাজপরিবার সম্পর্কে অনেক অজানা ও অপ্রিয় কথা বলেছেন হ্যারি ও মেগান দম্পতি। এ সাক্ষাৎকার প্রকাশের পর মেগানের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিয়ন্সে, সোফি টার্নারসহ অনেক হলিউড তারকা। গত মঙ্গলবার বিয়ন্সে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘সাহস ও নেতৃত্বের জন্য ধন্যবাদ মেগান। আমরা তোমার মাধ্যমে শক্তি ও অনুপ্রেরণা পেলাম।’ মেগান আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন, এ বিষয়টি অনেক নেটিজেনই মেনে নিতে পারছেন না। অনেকে মনে করছেন মেগান বাড়িয়ে বলছেন। নেতিবাচক মন্তব্যও করছেন অনেক সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী। এ প্রসঙ্গে ইন্সটাগ্রামে সোফি টার্নার লিখেছেন, ‘মেগান আপনাদের নেতিবাচক কমেন্ট পড়তে আসবে না, কিন্তু আপনাদের পরিবার ও বন্ধুরা পড়বে। আপনারা বিপদে পড়লে তারা সাহায্য করতে আসবে না। তাই এরকম মানুষ হবেন না।’ মেগান জানিয়েছেন, ব্রিটিশ রাজপরিবারের জৌলুসপূর্ণ জীবনে থেকেও ভালো ছিলেন না তিনি ও প্রিন্স হ্যারি। পরিবারের মধ্যে থেকেও তিনি এত বিচ্ছিন্ন ও নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ছিলেন যে, একটা সময় বেঁচে থাকার ইচ্ছাই হারিয়ে ফেলেন। বর্ণবৈষম্যের কারণে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় আত্মহত্যার কথাও ভেবেছিলেন তিনি।