তাসকিন আহমেদ কখনো ১৪০ কিলোমিটার গতি ওঠাচ্ছেন, কখনোবা ১৪১! ডানেডিনে সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে তাকে দারুণ সঙ্গ দিচ্ছেন স্পিনার শেখ মেহেদী হাসানও।
তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয়টিতে মঙ্গলবার টস হেরে আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ২৭১ রান করে বাংলাদেশ। এই প্রতিবেদন লেখার সময় ১৯ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে নিউজিল্যান্ডে সংগ্রহ ৮১।
তাসকিন প্রথম ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে কোনো উইকেট না পেলেও টপ অর্ডারদের বেশ কয়েকবার কাপিয়ে দিয়েছেন। আরেক দিক থেকে হাত ঘোরানো মেহেদী নিজের প্রথম ৪ ওভারে ১১ রান দিয়ে নিয়েছেন ২ উইকেট।
নতুন মেহেদীর পাশাপাশি মিরাজও ভালো বল করছেন।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতে ধাক্কা খেলেও তামিম ইকবাল দলকে টেনে নিয়ে যান। পরে মোহাম্মদ মিঠুন (৭৩*) স্কোর কিছুটা বড় করেন।
তামিম ফিফটি পেরিয়ে সেঞ্চুরির আশা জাগিয়েছিলেন। কিন্তু ৭৮ করার পর রানআউটের শিকার হন।
ফিফটির মাধ্যমে টাইগার ওপেনার নাম লেখান অসাধারণ এক মাইলফলকে। ওয়ানডেতে পান ৫০তম ফিফটির দেখা।
শুরুতে ম্যাট হ্যানরির বলে রানের খাতা খোলার আগেই আউট হন লিটন দাস। তিনে নামা সৌম্য সরকার শুরুতে ধুঁকলেও তামিমের সঙ্গে জুটি জমিয়েছিলেন।
দ্বিতীয় উইকেটে ৮১ রানের জুটিই পথ দেখায় বাংলাদেশকে। ৩২ রান করে সৌম্য উইকেট বিলিয়ে আসেন। বাঁহাতি স্পিনার মিশেল স্যান্টনারের বলে ডাউন দ্য উইকেটে এসে স্টাম্পড হলে ভাঙে জুটি।
তামিম যখন বোলারদের ওপর চড়াও হবেন তখনই রান আউটের শিকার হন। এ বাঁহাতি ওপেনার ১০৮ বলে খেলেন ৭৮ রানের ইনিংস। মারেন ১১টি চার।
মুশফিকুর রহিমকে (৩৪) ফিরিয়ে দ্বিতীয় শিকারের দেখা পান স্যান্টনার। তাতে ভাঙে চতুর্থ উইকেটে ৫১ রানের জুটি।
পরে রিয়াদ ১৮ বলে ১৬ করে ফিরলেও মিঠুন থেকে যান।
৫৭ বলে অপরাজিত ৭৩ করার পথে ছয়টি চার এবং দুটি ছক্কা হাঁকান তিনি।