ফেরদৌসকে টানলেন মমতা!

২০১৯ সালের এপ্রিলে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল প্রার্থীর একটি নির্বাচনী র‌্যালিতে অংশ নিয়েছিলেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় নায়ক ফেরদৌস আহমেদ। বিদেশি হয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ায় আইন ভেঙেছেন বলে অভিযোগ করে বিজেপি। এর পরই ফেরদৌসের ভারতীয় ভিসা বাতিল করে তাকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়। আজ পর্যন্ত ভিসা পাননি ভারতের। এমনকি, ‘বঙ্গবন্ধু’ বায়োপিকেও তিনি অভিনয় করতে পারেননি এই কালো তালিকার কারণে। সম্প্রতি সেই বিষয়টিই উঠে এলো পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যে। নির্বাচন নিয়ে ভারত এখন উত্তপ্ত! বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে পাল্টাপাল্টি প্রতিরোধের মুখে পড়েছে বিজেপি ও তৃণমূল। গত ২৭ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে প্রথম দফার ভোট। সেদিন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মোদি বাংলাদেশের গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি ওড়াকান্দির ঠাকুরবাড়িতে মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন। মোদির বাংলাদেশ সফর নিয়ে তুমুল কটাক্ষ করে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এই বিশেষ শ্রেণির ভোট প্রার্থনা করতেই প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফর। আর এটা নির্বাচনী নিয়মের বরখেলাপ। মমতার ভাষ্য, ‘আপনি (মোদি) যদি ভোট চলাকালীন বাংলাদেশে একটি বিশেষ শ্রেণির মানুষের জন্য ভোট চাইতে যান, তাহলে আপনার ভিসা-পাসপোর্ট কেন বাতিল হবে না? ফেরদৌস নামে এক বাংলাদেশি ফিল্মস্টার এসেছিলেন পশ্চিমবঙ্গে। ২০১৯ লোকসভায় আমাদের একটা র‌্যালিতে যোগ দিয়েছিলেন। বিজেপি এসে সরকারের সঙ্গে কথা বলে ওনার ভিসা বাতিল করে দিল! আর প্রধানমন্ত্রী ভোট নোটিফিকেশন হওয়ার পরে বিদেশে গিয়ে ভোট নিয়ে কথা বললে কী হয়? আপনার জন্য সব ছাড়? আর অন্যদের জন্য নয়?’ আরও যোগ করেন, ‘আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ করব। কখনো বলছে বাংলাদেশ থেকে মমতা সব অনুপ্রবেশ করিয়েছে, আবার কখনো বাংলাদেশে গিয়ে মার্কেটিং করছে। কে ঠিক আর কে ভুল, তার জবাব চাই। নইলে যতদূর যাওয়ার আমরা যাব।’