বাংলাদেশ গেমসের কারাতে ডিসিপ্লিনে একই দিনে সাফল্যের দেখা পেলেন নেপাল এসএ গেমসে স্বর্ণ জয়ী দুই নারী কারাতেকা হোমায়রা আক্তার অন্তরা ও মারজান আক্তার প্রিয়া।
এই দুইয়ের পথে হেঁটেছেন নেপালে স্বর্ণ জয়ী আরেক কারাতেকা আল আমিন ইসলামও।
বুধবার বান্দরবান জেলা জিমনেশিয়ামে অনুষ্ঠিত নারীদের অনূর্ধ্ব-৬১ কেজি কুমিতে বাংলাদেশ আনসারের হোমায়রা শ্রেষ্ঠত্ব দেখান।
প্রিয়া স্বর্ণ জিতেছেন অনূর্ধ্ব-৫৫ কেজি কুমিতে। তার কাছে হেরে গেছেন হোমায়রা অন্তরার ছোট বোন জান্নাতুল ফেরদৌস সুমী।
আগের দিন একক কাতা ইভেন্টে স্বর্ণ হাতছাড়া হয় হোমায়রার। তবে কুমিতে স্বর্ণ জিতে সেই ব্যর্থতার ক্ষতে প্রলেপ দিলেন। নেপাল এসএ গেমসে কাতা ইভেন্টে ব্রোঞ্জ ও অনূর্ধ্ব-৬১ কেজি কুমিতে স্বর্ণ জিতেছিলেন তিনি।
এদিন হোমায়রার কাছ হেরে রুপা জিতেছেন বান্দরবানের মেসাই ওয়াং। ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছেন পুলিশের তাসলিমা খাতুন ও সেনাবাহিনীর হাসিনা খাতুন ব্রোঞ্জপদক জেতেন।
নারীদের অনূর্ধ্ব-৫৫ কেজি কুমিতে সেনাবাহিনীর মারজান প্রিয়া স্বর্ণ, আনসারের জান্নাতুল ফেরদৌস সুমী রুপা পান। গাজীপুরের নাইমা সিকদার ও সুনামগঞ্জের কামরুন নাহার হ্যাপি ব্রোঞ্জপদক জেতেন।
পুরুষদের অনূর্ধ্ব-৬০ কেজি কুমিতে সেনাবাহিনীর আল আমিন ইসলাম স্বর্ণ, স্পারসোর ইউসুফ আলী রুপা ও নারায়ণগঞ্জের রাব্বি আলী ব্রোঞ্জপদক জেতেন। এই ইভেন্টে আর কোন প্রতিযোগী ছিল না।
পুরুষদের-৬৭ কেজি কুমিতে আনসারের জর্জিস আনোয়ার নাইম স্বর্ণ, সেনাবাহিনীর ফেরদাউস রুপা এবং ঢাকার বাচিং মং মার্মা ও বিকেএসপির নাফিউল ইসলাম ব্রোঞ্জপদক জেতেন।
নারীদের অনূর্ধ্ব-৬৮ কেজি কুমিতে আনসারের মরিয়ম খাতুন বিপাশা স্বর্ণ, সেনাবাহিনীর সানোয়ারা আক্তার বুলবুলি রৌপ্য এবং নোয়াখালী জেলার মারুফা খাতুন ও নীলফামারীর উম্মে হাবিবা ব্রোঞ্জপদক জেতেন।
অনূর্ধ্ব-৭৫ কেজি কুমিতে সেনাবাহিনীর হাফিজুর রহমান স্বর্ণ, আনসারের লোকমান হোসেন রৌপ্য এবং ঢাকা জেলার আবদুল্লাহ আল মামুন ও পুলিশের মহিউদ্দিন ব্রোঞ্জপদক জেতেন।
উর্ধ্ব-৮৪ কেজি কুমিতে আনসারের হাসান খান সান স্বর্ণ, বিকেএসপির সিয়াম হোসেন রুপা এবং শেরপুর জেলার ফয়সাল আহমেদ ও কুমিল্লা জেলার ফারুক হোসেন নিহাল ব্রোঞ্জপদক জেতেন।