বায়ার্নের বিপক্ষে পিএসজির রোমাঞ্চকর জয়

চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে তাদেরই মাঠ অ্যালিয়েঞ্জ অ্যারেনায় রোমাঞ্চকর জয় পেয়েছে প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। কিলিয়ান এমবাপ্পের জোড়া গোলে গত আসরের শিরোপাজয়ীদের ৩-২ ব্যবধানে হারিয়েছে ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা। 

গত বছর চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে বায়ার্নের বিপক্ষে ১-০ গোলে হেরে প্রথমবারের মতো শিরোপা জয়ের স্বপ্ন বিসর্জন দেয় পিএসজি। তবে এবার বছর ঘুরে দেখা হতেই অ্যাওয়ে ম্যাচে দুর্দান্ত পারফর্ম্যান্সে বাভারিয়ানদের বিপক্ষে প্রতিশোধটা নিয়ে শেষ চারের পথে এক পা এগিয়ে রাখলো নেইমার-এমবাপ্পেরা। 

রেফারির প্রথম বাঁশি বাজার তৃতীয় মিনিটেই এগিয়ে যায় পিএসজি। বল নিয়ে দ্রুত রক্ষণভাগে ওঠা নেইমারের পাস থেকে বায়ার্নের জাল খুঁজে নেন এমবাপ্পে। ফরাসি ফরোয়ার্ডের শট চলে যায় গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যারের পায়ের ফাঁক দিয়ে। তার আগে অবশ্য পিএসজিকে বাঁচিয়ে দেয় গোলপোস্ট। 

প্রথমার্ধেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে নেয় পিএসজি। ২৮তম মিনিটে নেইমারের দুর্দান্ত পাস থেকে নয়্যারকে বোকা বানান মারকুইনহোস। তবে এর কিছুক্ষণ পরে একটি গোল শোধ দেয় বায়ার্ন। ৩৭তম মিনিটে হেডে পিএসজির জালে বল পাঠান তাদেরই সাবেক স্ট্রাইকার এরিক ম্যাক্মিম চোপো-মোটিং। 

প্রথমার্ধে করা ভুল অবশ্য দ্বিতীয়ার্ধে শোধ দেন নয়্যার। দুর্দান্ত এক সেভে গোল বঞ্চিত রাখেন নেইমারকে। অন্যদিকে পিএসজি গোলরক্ষক কেইলর নাভাসও ডেডিভ আলাবা ও বেঞ্জামিন পাভারকে গোলের দেখা পেতে দেননি। 

তবে বিরতির পর সমতায় ফিরতে মরিয়া বায়ার্ন একের পর আক্রমণে ব্যস্ত করে রাখে পিএসজির রক্ষণভাগ। গোল শোধের সুযোগও দ্রুত পেয়ে যায় হ্যান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা। ৬০তম মিনিটে জশুয়া কিমিচের ফ্রি-কিক থেকে হেডে বায়ার্নকে সমতায় ফেরান টমাস মুলার। 

অবশ্য বাভারিয়ানদের গোল শোধের আনন্দ বেশিক্ষণ ধরে রাখতে দেয়নি পিএসজি। ৬৭তম মিনিটে ডি-বক্সের মধ্য থেকে নেওয়া এমবাপ্পের বুলেট শট জেরোম বোয়েটাংয়ে ফাঁক গলে জড়িয়ে যায় বায়ার্নের জালে।

এরপর একের পর এক আক্রমণ শাণিয়েও সমতায় ফিরতে ব্যর্থ হয় জার্মান জায়ান্টরা। শেষ ষোলোর প্রথম লেগে বার্সেলোনাকে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত করার পর আরেকটি অনবদ্য জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পচেত্তিনোর দল।

১৩ এপ্রিল (মঙ্গলবার) রাতে ফিরতি লেগে বায়ার্নকে ঘরের মাঠ পার্ক দে প্রিন্সেসে আতিথেয়তা দেবে পিএসজি।