ঢাকা ও লক্ষ্মীপুরে সড়কে প্রাণ গেল দুই জনের

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর হানিফ ফ্লাইওভারে গতকাল শুক্রবার মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাহমুদুল হাসান রহিদ খন্দকার (১৮) নামে এক তরুণ নিহত হয়েছেন।

এ সময় মোটরসাইকেলচালক তার এক বন্ধু আহত হয়েছেন। আহত তরুণের নাম মারজান। রহিদ খন্দকার পেশায় দোকান কর্মচারী।

রহিদের বড় ভাই রানা খন্দকার জানান, তাদের বাসা ১৪৮/১ দক্ষিণ যাত্রাবাড়ীতে। তার বাবার নাম ওহিদুর রহমান খন্দকার। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে রহিদ তৃতীয়।

গতকাল বিকেল ৪টার দিকে বন্ধু মারজানের মোটরসাইকেলে করে ঘুরতে বেরিয়েছিলেন রহিদ।

যাত্রাবাড়ী থেকে গুলিস্তান যাওয়ার পথে হানিফ ফ্লাইওভারে তাদের মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাদের দুজনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বিকেল সাড়ে ৪টায় রহিদকে মৃত ঘোষণা করেন। মারজান চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মারজান শিক্ষার্থী। তিনিও একই এলাকার বাসিন্দা।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, রহিদের লাশ ঢামেক হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এসে সুরতহাল প্রতিবেদনসহ পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে নসিমন উল্টে শ্রমিকের মৃত্যু : লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় মো. বাবর হোসেন ওরফে পাগলা বাবর (৩০) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

গতকাল বিকেল ৪টায় উপজেলার রামগঞ্জ-হাজীগঞ্জ সড়কের কলচমা নামক স্থানে নসিমন উল্টে তার মৃত্যু হয়। বাবর নসিমন ও হ্যান্ডট্রলির মালামাল বহন করতেন।

বাবর হোসেন রামগঞ্জ পৌর টামটা গ্রামসংলগ্ন তাহেরপুর গ্রামের মৃত ইউছুফ মাস্টারের ছেলে।

রামগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। কোনো অভিযোগ না থাকায় বাবরের লাশ তার নিকটাত্মীয়দের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।