দৌলতপুর সীমান্তে সৎভাইকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তের জামালপুর গ্রামে ফাহমিদ আলী (৪০) নামের এক যুবককে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে সৎ ভাই মিলনের বিরুদ্ধে।

রবিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের সীমান্ত সংলগ্ন জামালপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নিকটস্থ ৭২নং বিট পুলিশের ক্যাম্প ইনচার্জ এসআই জিয়াউর রহমান জানান, নিহত ফাহমিদ জামালপুর গ্রামের আব্দুস ছাত্তার ওরফে নান্দু ডাকাতের ছেলে।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, ফাহমিদ রবিবার সকালে নিজ বাড়ি সংলগ্ন জনৈক এনামুলের দোকানে চা পান করছিলেন। এ সময় পেছন থেকে সৎভাই মিলন ধারালো হাঁসুয়া দিয়ে ফাহমিদের গলায় কোপ দিলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

সেখানে ফাহমিদের মৃত্যু নিশ্চিত করেই মিলন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

স্থানীয়রা দাবি করেন, নিহত ফাহমিদ সীমান্ত এলাকার চিহ্নিত মাদক চোরাকারবারি ও সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত।

দৌলতপুর থানার ওসি (তদন্ত) শাহাদত হোসেন জানান, রোববার সকালে উপজেলার জামালপুর গ্রামে সৎভাইয়ের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ফাহমিদ নামের একজনের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে লাশ উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে পুলিশ।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট দ্বন্দ্বের জেরে তারই সৎভাই মিলন এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

সেই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে মিলনকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযানে নেমেছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

সীমান্তের শীর্ষ মাদক চোরাকারবারি ও সন্ত্রাসী ফাহমিদ হত্যা মামলায় ভারতে ১৪ বছর কারাভোগের পর ২০১৯ সালে দেশে ফিরে আবারও মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে একাধিক ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে। এ নিয়ে পরিবারের লোকজন ও এলাকাবাসী অতিষ্ঠ ছিলেন। তাকে ধরতে পুলিশ একাধিকবার সীমান্তে অভিযান চালিয়েও ব্যর্থ হয়।