অনলাইনে এসি কেনার আগে

গরমের তীব্রতা বাড়তে শুরু করেছে। সেই সঙ্গে করোনার কারণে বাইরে যাওয়ার হারও কমে গেছে। তাই এসি কিনতে চাইলে অনলাইনই এখন ভরসা। জেনে নিন অনলাইনে এসি কেনার আগে কী কী বিষয় খেয়াল রাখতে হবে

মডেল নম্বর ও বর্ণনার মিল : অনলাইনে এসির ছবিতে যে মডেল নম্বর দেওয়া থাকে সেটি গুগলে সার্চ করে সেই মডেল নম্বরের সঙ্গে বর্ণনা মিলিয়ে নিন।

অফার : বেশির ভাগ অনলাইনেই একটি লাল দাগ দিয়ে কেটে তার নিচে দেওয়া অফার মূল্য লেখা থাকে। এটি বাজারজাতকরণ কৌশল ছাড়া আর কিছুই নয়। তাই অনলাইনে অর্ডার করার আগে শো-রুমে ফোন করে আসল দামটা জেনে নিন।

ওয়ারেন্টি : সাধারণত এয়ার কন্ডিশনারে তিন ধরনের ওয়ারেন্টি থাকে। মূল বডিতে থাকে এক বছরের, কনডেনসারের জন্য এক বছর ও কমপ্রেসরে তিন-ছয় বছরের। তবে অনেক অনলাইন আবার শুধু কমপ্রেসরেই ওয়ারেন্টি দেয়। অনলাইন শপ এগুলো ঠিকঠাক দিচ্ছে কি না সেটাও জেনে নিন।

ডেলিভারি ও ইনস্টলেশন চার্জ : অফার মূল্যে বাজারের চেয়ে কম লেখা থাকলেও পরে ডেলিভারি আর ইনস্টলেশন চার্জ বেশি হতে পারে। এসি কেনার ক্ষেত্রে তাই এসব সম্পর্কেও জেনে নিন।

সার্ভিসিংয়ের খরচ : উইন্ডোর চেয়ে স্পিট এসির সার্ভিসিং খরচ সাধারণত একটু বেশি হয়। তাই যে মডেলটি পছন্দ করছেন, বাজারে সেটার সেবাজনিত মূল্য কত কিংবা সার্ভিসিং সহজলভ্য কি না সেটাও জেনে নিন।

ইনভার্টার নাকি ফিক্সড ফ্যান : পছন্দের মডেলটি ইনভার্টার নাকি ফিক্সড ফ্যান সিস্টেমে চলে সেটি জেনে নিন। ইনভার্টার হলো, যে এসির ভেতর মোটরের গতিনিয়ন্ত্রণ করে তাপমাত্রা ঠিক করা হয়। আর ফিক্সড ফ্যানের ক্ষেত্রে বারবার কনডেনসার অফ/অন করে এ কাজটি করা হয়। এ কারণে ইনভার্টারের চেয়ে ফিক্সড ফ্যানে বিদ্যুৎ খরচটা একটু বেশি হয়।