সব ধরনের চুলের জন্য একই শ্যাম্পু চলে না। চুলের ধরন অনুযায়ী শ্যাম্পুও বদল করতে হয়। সপ্তাহে কতবার শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন নির্ভর করে লাইফস্টাইলের ওপর। যাদের প্রখর রোদের মধ্যে থাকতে হয়, তারা এক দিন পরপর শ্যাম্পু করতে পারেন। সোজা চুলে সপ্তাহে দুবার শ্যাম্পু করা ভালো। তৈলাক্ত বা শুষ্ক চুলে সপ্তাহে তিন থেকে চারবার শ্যাম্পু করা উচিত। চুল বৃষ্টিতে ভিজলে বা জিম থেকে ফিরে শ্যাম্পু করা যেতে পারে। শ্যাম্পু চুলের ধরন অনুযায়ী কিনতে হয়। বিস্তারিত জানালেন বিউটি ব্লগার নাহিন ইসলাম
রিবন্ডিং চুল : যাদের চুল রিবন্ডিং করা ও সফট, তাদের জন্য প্রয়োজন ভলিউমাইজিং শ্যাম্পু। এ ধরনের শ্যাম্পু ব্যবহার করলে চুলের ঘনত্ব বাড়ে এবং চুল ভালো থাকে।
কোঁকড়ানো চুল : কোঁকড়ানো চুল স্বাভাবিকভাবেই শুষ্ক ও রুক্ষ হয়। এ ধরনের চুলের জন্য প্রয়োজন ময়েশ্চারাইজার-সমৃদ্ধ শ্যাম্পু, যা চুল নরম ও স্বাভাবিক রাখবে।
শুষ্ক চুল : শুষ্ক চুলের জন্য দরকার ময়েশ্চারাইজার-সমৃদ্ধ শ্যাম্পু । এতে চুল নরম ও ঝরঝরে হয়।
তৈলাক্ত চুল : তৈলাক্ত চুলে ময়েশ্চারাইজার-সমৃদ্ধ শ্যাম্পু ব্যবহার করে লাভ নেই। এ ধরনের চুলের জন্য ব্যবহার করতে হবে কেটোকোনাজল, জিংক পাইরিথিয়োন উপকরণ আছে এমন ধরনের শ্যাম্পু।
কালার চুল : কালার চুলের জন্য এমন শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে, যা চুলের রং ঠিক রাখতে সাহায্য করে। চুলের ধরন কেমন এটাও জানতে হবে। কালার চুলের জন্য আলাদা ধরনের শ্যাম্পু আছে।
খুশকিযুক্ত চুল : খুশকি শুধু শুষ্ক স্ক্যাল্পের সমস্যা নয়। অনেক ক্ষেত্রে তৈলাক্ত চুলেও খুশকির প্রবণতা দেখা যায়। সে ক্ষেত্রে শ্যাম্পু নির্বাচন করা উচিত ভেবেচিন্তে। খুশকির কারণ কী, তা জেনে তবেই ভালো মানের অ্যান্টি-ড্যানড্রফ শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে।
ড্রাই শ্যাম্পু : চুল তেল চিটচিটে ও ময়লা ভাব দ্রুত কমাতে ড্রাই শ্যাম্পু কার্যকর। কর্ন বা রাইস স্টার্চ দিয়ে তৈরি ড্রাই শ্যাম্পু গুঁড়ো ও স্প্রে দুটোই হয়। পানির প্রয়োজন হয় না। পাঁচ মিনিটের মধ্যে চুল পরিষ্কার করা যায়।