মাদারীপুর জেলার শিবচরের বাংলাবাজার-শিমুলিয়া রুটে যাত্রীদের চাপ আরও বেড়েছে। গত শুক্রবারের চেয়ে গতকাল শনিবার সকাল থেকে স্বাস্থ্যবিধি ভেঙে যাত্রীদের চাপ বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি। যাত্রীদের বেশির ভাগই ঢাকাগামী।
জানা গেছে, সর্বাত্মক লকডাউনের মধ্যেও মাদারীপুরের বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে রাজধানীমুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ থাকলেও গতকাল সকাল থেকে ফেরিতে যাত্রীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।
ঘাট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে সাধারণত ১৮টি ফেরি চলাচল করলেও করোনাভাইরাসের চলমান ‘লকডাউনে’ চলাচল করছে মাত্র ৫টি ফেরি। সকাল থেকেই ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা বাড়তে থাকে। এ ছাড়া যাত্রীদেরও চাপ বাড়তে থাকে ফেরিঘাটে। লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ থাকায় যাত্রীরা ফেরিতে করে পারাপার হচ্ছেন। অতিরিক্ত যাত্রীর চাপের কারণে উপেক্ষিত ছিল স্বাস্থ্যবিধি।
এনজিওকর্মী রাতুল বলেন, ‘লকডাউনে বাড়ি গিয়েছিলাম। এখন আগের চেয়ে শিথিল করায় কর্মস্থলে ফিরছি।’
হাফিজুল নামে ঢাকাগামী একজন জানান, শিথিল যখন করেছে, পরিবহনগুলো চালু করলে আমাদের এত কষ্ট হতো না। তা ছাড়া এই ঘাট পর্যন্ত আসতে আমার দুই হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এরপর ওপার গিয়ে ঢাকা যেতে আরও টাকা লাগবে। পরিবহন চালু থাকলে ঢাকা পৌঁছাতে লাগত ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা।
মাদারীপুরের বাংলাবাজার ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক মো. সালাউদ্দিন জানান, ‘সীমিত পরিসরে ফেরি দিয়ে জরুরি সেবা প্রদানকারী যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। এর মধ্যে অ্যাম্বুলেন্স, পণ্যবাহী ট্রাক, কুরিয়ার সার্ভিসের গাড়ি অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এদিকে ইজিবাইক, সিএনজি, মোটরসাইকেলযোগে বাড়তি ভাড়া দিয়ে দক্ষিণাঞ্চল থেকে যাত্রীরা ঘাটে আসছেন। পরে ফেরিতে করে পদ্মা পাড়ি দিয়ে নিজ নিজ গন্তব্যে ছুটছেন তারা।’