চঞ্চল-ফারিয়াকে নিয়ে মাসুদ সেজানের ঈদের নাটক

নির্মাতা মাসুদ সেজানের নাটক মানেই দর্শকের কাছে ভিন্নকিছু। টিআরপি জরিপেও মাসুদ সেজানের নাটক এগিয়ে থাকে। প্রতি ঈদেই এই নির্মাতা উপহার দেন নতুন নতুন নাটক। সেই ধারাবাহিকতায় এবারের ঈদেও মাসুদ সেজান হাজির হচ্ছেন নতুন নাটক নিয়ে। বাংলাভিশনের ঈদের অনুষ্ঠানমালায় প্রতিদিন রাত ৯টা ৫৫মিনিটে প্রচারিত হবে মাসুদ সেজানের রচনা ও পরিচালনায় ৭ পর্বের বিশেষ ধারাবাহিক নাটক ‘হঠাৎ বাদশাহ’।

এতে অভিনয় করেছেন, চঞ্চল চৌধুরী, শবনম ফারিয়া, শামীমা নাজনীন, মতিউর রহমান, আহসান কবির, সিলভিয়া, আল আমীন সবুজ, ইকবাল হোসেন, শহিদুল মুরাদ প্রমূখ।

নির্মাতা মাসুদ সেজান নাটকটির গল্প সম্পর্কে বলেন, ‘যখন কেউ বিপদে পড়ে, সেটা হতে পারে হঠাৎ করে চাকরি চলে গেছে ঠিক তখনই চেনা মানুষগুলো দ্রুত বদলে যায়। এত দিন যাকে প্রিয় বন্ধু হিসেবে জেনে এসেছে, আজকে বিপদ দেখেই পালিয়ে গেছে। সুখের দিনে তো বন্ধুর অভাব হয় না কিন্তু একটি মানুষ যখন বিপদে পড়ে, তখন যদি আরেকটি মানুষ তার সাহায্যে এগিয়ে না আসে তাহলে কিসের মানবিকতা, কিসের সমাজ? এই সভ্যতা নিয়ে আমরা কোথায় চলেছি?’

নাটকের গল্পে দেখা যাবে, হঠাৎ করে চাকরি হারিয়ে আকবর হোসেন ওরফে মজনু প্রায় পথে বসে যাচ্ছিল। প্রাত্যহিক চলার টাকা, বাসা ভাড়া, সংসার খরচ কিভাবে জোগাড় করবে, এ রকম এক মহাবিপদের দিনে গুপ্তধন পাওয়ার মতো এক জায়গা থেকে আকস্মিক ভাবে সে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা পেয়ে যায়।

আর এর মধ্য দিয়ে তার অন্ধকার দিন আলোতে ঝলমল করে উঠে। এতো এতো টাকা দিয়ে সে এখন কি করবে? মজনু বিষয়টিকে গোপন রাখারও প্রয়োজন মনে করে না। অলরেডি টাকার গন্ধে ছুটে আসে বন্ধু-বান্ধব, দুরের ও কাছে আত্মীয়-স্বজন। তাদের পরামর্শ ও পরিকল্পনায় চলতে থাকে মিটিং এর পর মিটিং। বাড়ি ভরে যায় মিষ্টিতে, উপহারে...কোথায় পেলো সে এতো টাকা? কিভাবে? নানা হাস্যরসের মধ্য দিয়ে এ রহস্যের জট খুলতে খুলতে এগিয়ে যাবে কাহিনি...’