ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’ মোকাবিলায় সাতক্ষীরায় ১৪৫ টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র ও ১৫০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
শুক্রবার বিকেল ৩ টায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির এক জরুরি সভায় এ তথ্য জানানো হয়।
সভায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে জুমে যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা- ১ আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, সাতক্ষীরা ২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।
এছাড়াও সভায় সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন হুসাইন শাফায়াত, পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, এনএসআই সাতক্ষীরার উপপরিচালক জাকির হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) সজিব খান, পানি উন্নয়ন বোর্ড সাতক্ষীরা -১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল খায়ের, পানি উন্নয়ন বোর্ড সাতক্ষীরা -২ এর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলামসহ জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য এবং উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় আসন্ন ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’ মোকাবিলার আগাম প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। দুর্যোগের আগে, দুর্যোগের সময় এবং দুর্যোগের পরবর্তী করণীয় নিয়ে সভায় আলোচনা করা হয়।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এসএমএস মোস্তফা কামাল বলেন, আশঙ্কা করা হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় যশ সাতক্ষীরা-খুলনা উপকূলে মে মাসের শেষ সপ্তাহে আঘাত হানতে পারে। সে ধরনের পূর্বাভাস দেখেই আমরা আগে থেকেই প্রস্তুতি সভা করেছি। এটি আমাদের আগাম প্রস্তুতি।
তিনি আরও বলেন, সাতক্ষীরা জেলায় ১৪৫ টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র আছে। এছাড়া আমাদের ১৫০০ স্কুল কলেজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ১৮৩ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুত আছে। দুই কোটি ১৫ লাখ টাকার নগদ অর্থ সহায়তার জন্য রয়েছে। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ও ওয়াটার ট্যাংক রয়েছে। পুলিশ আনসার বিজিবি ও স্বাস্থ্য বিভাগ প্রস্তুত আছে। জেলা প্রশাসন সব সময় সজাগ থেকে বরাবরের মতো দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষম হবে।