ভারতে শুধু গোপনীয়তা নয়, নাগরিকের কোনো মৌলিক অধিকারই চূড়ান্ত নয় বলে মনে করে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার। ফলে মৌলিক অধিকারে যুক্তিসঙ্গত নিয়ন্ত্রণ আরোপ জরুরি বলে গত বুধবার দিল্লির হাইকোর্টে সরকারের মতামত তুলে ধরা হয়। খবর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের।
ভারতে সরকার সম্প্রতি অনলাইনে লেখালেখির ওপর নজরদারি চালানোর বিধান কার্যকরের উদ্যোগ নিয়েছে। এ উদ্যোগের বিরুদ্ধে আদালতের শরণাপন্ন হয়ে হোয়াটসঅ্যাপ ভারতে সংবিধানে নাগরিকদের গোপনীয়তা রক্ষার অধিকারের বিষয় তুলে ধরে।
তবে হোয়াটসঅ্যাপের দাবি নাকচ করে এক বিবৃতিতে কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘নাগরিকদের গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার নিশ্চিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এটা নাগরিকদের মৌলিক অধিকার। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা ও জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়ে সরকারেরও কিছু দায়িত্ব রয়েছে। গোপনীয়তা কিংবা কোনো মৌলিক অধিকার চূড়ান্ত কিছু নয়। সবকিছুর ওপর অল্পবিস্তর নিয়ন্ত্রণ থাকা প্রয়োজন।’
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, ‘ভারত সরকার তাদের নাগরিকদের গোপনীয়তা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পাশাপাশি জাতীয় সুরক্ষা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাও সরকারের কর্তব্য।’