সাভারের আশুলিয়ায় পরিবহনে চাঁদা দাবির ঘটনায় যুবলীগ নেতা উজ্জল হোসেনকে (৩৯) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রবিবার দুপুরে তাকে চাঁদাবাজির অভিযোগে দায়ের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ঢাকা মুখ্য বিচারিক আদালতে পাঠায় আশুলিয়া থানা পুলিশ। এর আগে শনিবার রাতে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে মামলাটি দায়ের করেন ওয়েলকাম পরিবহনের পরিচালক জিএম খসরুজ্জামান মিন্টু।
গ্রেপ্তার উজ্জল হোসেন আশুলিয়ার পাথালিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি পাথালিয়ার টাকশুর গ্রামের বাসিন্দা এবং মামলার এক নম্বর আসামি।
বাকি আসামিরা হলো মো. রানা (৩০), মো. তুহিন (২৫), স্বপন চিশতী (৪৫), তারেক (৪২) ও চান মিয়া (৩০)।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী খসরুজ্জামান মিন্টু ওয়েলকাম পরিবহনের পরিচালক। তার ছয়টি বাস নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কে চলাচল করে। যুবলীগ নেতা উজ্জল ও রানা দীর্ঘদিন ধরে তার বাসগুলোর দেখাশুনার দায়িত্ব নেয়ার জন্য চাপ দিয়ে আসছে। এর ধারাবাহিকতায় শনিবার সকালে মিন্টু মোটরসাইকেলে বাসা থেকে নবীনগর গেলে যুবলীগ নেতা উজ্জলসহ কয়েকজন তার গাড়ি থামিয়ে সেগুলো সড়কে চালাতে নিষেধ করে। একপর্যায়ে তারা বলে এই সড়কে গাড়ি চালাতে হলে তাদের দায়িত্বে দিতে হবে। কিন্তু মিন্টিু বিষয়টির প্রতিবাদ করলে যুবলীগ নেতা উজ্জলের নেতৃত্বে তাকে বেধড়ক মারধর করে এবং সঙ্গে থাকা নগদ টাকা ও মোবাইল লুটে নেয় তারা। এ সময় তার চিৎকারে আশাপাশের লোকজন জড়ো হলে তারা চলে যায়।
মামলার বাদী জিএম মিন্টু বলেন, নবীনগর সড়কে গাড়ি চালাতে হলে তাদের চাঁদা দিতে হবে। তা নাহলে আমার গাড়ি চালাতে দেবে না। এ ছাড়া তারা আমাকে নবীনগরই থাকতে দেবে না। আমি উপায় না পেয়ে থানায় গিয়ে আশ্রয় নিয়েছি।
জানতে চাইলে আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হারুন-অর-রশিদ বলেন, চাঁদা দাবির ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে উজ্জল নামে এক চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।