গণমাধ্যম বয়কট বিতর্কে ফ্রেঞ্চ ওপেন থেকে সরে দাঁড়ালেন ওসাকা

ফ্রেঞ্চ ওপেন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন দ্বিতীয় বাছাই নাওমি ওসাকা। টুর্নামেন্ট চলাকালীন গণমাধ্যম বয়কটের জেরে সমালোচনার মুখে পড়েন জাপানি কন্যা।

তার জন্য ওসাকাকে বড় অঙ্কের অর্থ জরিমানাও করা হয় এবং রোঁলা গাঁরোতে তাকে নিষিদ্ধ করা হতে পারে, এমন বিবৃতিও দেয় ফ্রেঞ্চ ওপেন কর্তৃপক্ষ।

কিন্তু প্রথম রাউন্ডে জয় পাওয়া ওসাকা দ্বিতীয় রাউন্ড খেলতে আর ক্লে-কোর্টে নামলেন না। ২০১৮ সালে প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের পর থেকে ‘দীর্ঘদিন ধরে হতাশায় ভুগছেন’ জানিয়ে নাম প্রত্যাহার করে নিলেন ফ্রেঞ্চ ওপেন থেকে। গত সপ্তাহে তিনি জানিয়েছিলেন, মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়ে উদ্বিগ্ন তিনি। আর এর চাপ যাতে রোঁলা গাঁরোর কোর্টে না পড়ে তার জন্য টুর্নামেন্ট চলাকালীন সংবাদ সম্মেলন করবেন না জানিয়েছিলেন তিনি।

চারবারের গ্র্যান্ড স্ল্যামজয়ী বলেন, ‘কখনো আমার চিত্ত-বিক্ষিপ্ত হোক তা চাইনি।’ সোমবার ফ্রেঞ্চ ওপেন থেকে সরে দাঁড়ানোর প্রসঙ্গে ওসাকা জানান, ‘কিছু সময় কোর্ট থেকে দূরে থাকতে চান’ তিনি।

রবিবার ক্লে-কোর্টের উদ্বোধনী দিনে প্রথম রাউন্ডে রোমানিয়ার প্যাট্রিসিয়া মারিয়া টিগকে ৬-৪, ৭-৬ (৭-৪) গেমে হারানোর পর সংবাদ সম্মেলনে আসেননি ওসাকা। যার কারণে ১৫ হাজার ডলার জরিমানাও দিতে হয়েছে তাকে।

এক যৌথ বিবৃতিতে চারটি গ্র্যান্ড স্ল্যামের আয়োজকেরা জানান, ওসাকাকে আরও বেশি জরিমানা ও ভবিষ্যতে গ্র্যান্ড স্ল্যামে নিষিদ্ধ হতে পারেন।

পরে জাপানি কন্যা টুইট করেন, ‘পরিবর্তন মানুষকে অস্বস্তিকর করে তুলতে পারে।’