গত বছর প্রথমবারের মতো ফরম্যাট অনুযায়ী ক্রিকেটারদের কেন্দ্রীয় চুক্তির আওতায় এনেছিল বিসিবি। এবারও ক্রিকেটারদের একই চুক্তিতে রাখা হবে। গত বছরের চুক্তিতে সব মিলিয়ে ১৬ জন ক্রিকেটারকে রাখা হয়েছিল। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হলেও এবারও সংখ্যাটা এমনই থাকবে। তবে পরিবর্তন আসছে নির্দিষ্ট ক্রিকেটারে। আসন্ন কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ক্রিকেটার পরিবর্তনের বিষয়টি গতকাল জানিয়েছেন বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন। অনুমিতভাবেই এক বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে চুক্তিতে নাম উঠবে সাকিব আল হাসানের। তার সঙ্গে শুধু সাদা বলের চুক্তি হবে কিনা এটাও বিসিবির পরবর্তী সভায় সিদ্ধান্ত হবে বলে জানান সুজন।
বর্তমানে লাল ও সাদা দুই বলের চুক্তিতে আছেন সাতজন। শুধু লাল বলের চুক্তিভুক্ত খেলোয়াড় চারজন আর সাদা বলের চুক্তিতে পাঁচজন। মাহমুদউল্লাহ ও মোস্তাফিজুর রহমান কেবল সাদা বলের চুক্তিতে আছেন। তাদের সঙ্গে সাইফউদ্দিন, আফিফ হোসেন ও মোহাম্মদ নাঈম শেখ আছেন। লাল বলের চুক্তিতে টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক, নাঈম হাসান, আবু জায়েদ ও ইবাদত হোসেন আছেন।
দু’ধরনের ফরম্যাটেই আছেন তামিম ইকবাল, লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম, মোহাম্মদ মিঠুন, তাইজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান মিরাজ। এ বছর শুরুতেই নতুন চুক্তি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনার কারণে গত বছর খুব একটা খেলা হয়নি বলে বর্তমান চুক্তির মেয়াদ বেড়েছে। বিসিবির নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ পর্যন্ত পারফরম্যান্স বিবেচনা করে নতুন চুক্তি ঘোষণা করা হবে।
৭ জুন বিসিবির পরবর্তী সভা হওয়ার কথা আছে। ওই সভাতেই পারফরম্যান্স বিবেচনায় ক্রিকেটারদের চুক্তি থেকে বাদ বা অন্তর্ভুক্ত করা হবে। সে রকম হলে সাদা বলের চুক্তিতে পরিবর্তন হওয়ার সুযোগ নেই। তবে লাল বলের এবং লাল-সাদা দুই ফরম্যাটেই চুক্তিতে নতুন সংযুক্তি এবং ছাঁটাই হতে পারে বলে আভাস দিলেন বিসিবির সিইও, ‘কভিড পরিস্থিতির কারণে সবশেষ সিরিজ পর্যন্ত গত চুক্তির মেয়াদ বাড়িয়েছিলাম আমরা। এ বছরের সিরিজগুলোর পারফরম্যান্স বিবেচনা করেই নতুন চুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে গত কয়েক সিরিজের পারফরম্যান্স অনুযায়ী কিছু ক্রিকেটারের সাজেশন্স এসেছে। আমরা তাদের অন্তর্ভুক্ত করতে যাচ্ছি। আবার কিছু ক্রিকেটার গত কন্ট্রাক্ট থেকে বাদ যাবে। এটা এখনো চূড়ান্ত হয়নি, শুধু প্রস্তাব এসেছে। সামনের সভায় আমরা এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব।’