মরক্কোর ক্লিনিকে যমজ শিশু জন্মদানে নতুন রেকর্ড

মরক্কোর একটি ক্লিনিকে মালির এক নারী গত ৪ মে ৯ সন্তানের জন্ম দেন। তবে তাদের সর্বোচ্চ আরও দুই মাস পর্যবেক্ষণের আওতায় রাখা প্রয়োজন। খবর এএফপি’র।

মরক্কোর কাসাব্লাংকা নগরীর আনি বোর্জা ক্লিনিকের মুখপাত্র আব্দাল কুদ্দুস হাফসি জানান, এ ৯ শিশু কোন যন্ত্রের সাহায্য ছাড়াই এখন শ্বাসক্রিয়া করতে পারছে এবং তারা শ্বাসযন্ত্রের যন্ত্রণার পর্যায় অতিক্রম করেছে।

তিনি বলেন, শিশুদের টিউবের সাহায্যে খাওয়ানো হচ্ছে এবং তাদের ওজন ‘উল্লেখযোগ্যভাবে’ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে এসব শিশুর ওজন বেড়ে ৮০০ গ্রাম থেকে ১.৪ কেজির (১.৭ থেকে ৩ পাউন্ড) মধ্যে রয়েছে।

২৫ বছর বয়সী মা হালিমা সিজি তার ৫ কন্যা ও ৪ ছেলে সন্তানের কাছে রয়েছেন। মালির উত্তরাঞ্চলের তিমবুক্ত থেকে তাকে মরক্কোর ওই ক্লিনিকে নেওয়া হয়।

হাফসি জানান, ক্লিনিকের সহযোগিতা ছাড়া স্বাভাবিক জীবন পেতে তাদের এখনো দেড় থেকে সর্বোচ্চ দুই মাস সময় লাগবে।

২৫ প্যারামেডিকের সহযোগিতায় ১০ চিকিৎসকের একটি দল সিজারের মাধ্যমে এসব শিশুকে মায়ের গর্ভ থেকে বের করেন।

গত ৩০ মার্চ উন্নত চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য মালি সরকার এয়ারবাসে করে পশ্চিম আফ্রিকার এ দেশ থেকে সিজিকে মরক্কোতে নিয়ে যায়।

যমজ শিশু জন্মদানের ক্ষেত্রে এটি একটি নতুন রেকর্ড। এর আগে ২০০৯ সালে নাদিয়া সুলেমান নামের আমেরিকান এক নারী ৮ যমজ শিশুর জন্ম দিয়েছিলেন। তখন তার বয়স ছিল ৩৩ বছর।