ভারতে ডেল্টা নামের যে স্ট্রেইনটি প্রথম শনাক্ত হয়েছিল, সেটি কেন্ট ভ্যারিয়েন্টের চেয়ে ৪০ শতাংশ বেশি সংক্রমণ প্রবণ বলে জানিয়েছেন ব্রিটেনের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক।
ভ্যারিয়েন্টটি বেশি সংক্রমণের জন্য দায়ী সেটি আগেই বলা হচ্ছিল। তখন ব্রিটেন বলেছিল এটি ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ বেশি সংক্রমণযোগ্য।
এই ভ্যারিয়েন্ট বাংলাদেশেও পাওয়া গেছে। এটি যেমন বেশি সংক্রমণের জন্য দায়ী, তেমনি বেশি অসুস্থও করছে মানুষকে।
এর বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরি করতে হলে দু’টি টিকা নেওয়ার মধ্যে ব্যবধান কমানোর পরামর্শ দিয়েছে ল্যানসেট।
ল্যানসেট বলছে, শুধুমাত্র প্রথম টিকা যারা নিয়েছেন তাদের শরীরে ডেল্টা প্রজাতির বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডির প্রতিক্রিয়া বেশ কম। এমনকি দু’টি টিকা নেওয়ার ক্ষেত্রে যদি ব্যবধান বেশি হয়, সে ক্ষেত্রেও অ্যান্টিবডির প্রতিক্রিয়া উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
ল্যানসেটের ওই গবেষণায় উঠে এসেছে, ফাইজারের প্রথম টিকা নেওয়া থাকলে করোনার আদি প্রজাতির বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডির প্রতিক্রিয়া ৭৯ শতাংশ। আলফা প্রজাতির (বি.১.১.৭) বিরুদ্ধে তা ৫০ শতাংশে নেমেছে। এই অ্যান্টিবডির প্রতিক্রিয়া ডেল্টা প্রজাতির বিরুদ্ধে আরও কম।
করোনার নতুন প্রজাতিগুলো প্রতিরোধের বিষয়টি নিয়ে সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ এমা ওয়াল বলেছেন, ‘আমাদের সমীক্ষার ফল বলছে নতুন প্রজাতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দ্বিতীয় টিকা দ্রুত দিয়ে দিতে হবে। যাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনায় কম তাদের বুস্টার দিতে হবে।’