চাঁদে ভারত, বাংলাদেশের স্পারসো কতদূর?

আপডেট : ২৫ আগস্ট ২০২৩, ০৭:৪৫ পিএম

মহাকাশে দীর্ঘ এক মাস নয় দিনের যাত্রা শেষে ভারতের মহাকাশযান চন্দ্রযান-৩ চাঁদের বুকে সফলভাবে অবতরণ করেছে। যা ভারতকে বিশ্বের এলিট ‘স্পেস ক্লাবে’ জায়গা করে দিয়েছে।

গত বুধবারের এ ঘটনার পর ভারতীয় মহাকাশ সংস্থার প্রশংসার পাশাপাশি প্রতিবেশী বাংলাদেশের মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চন্দ্রযান-৩ অবতরণের পর এরইমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছে ভারতের ‘প্রজ্ঞান’। এই সময় প্রতিবেশী বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণায় কতটা এগিয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। প্রায় ৪২ বছর আগে তৈরি হয়েছিল বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো)।

স্পারসো প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ২০১৮ সালের ১২ মে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি মহাকাশ কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু–১ উৎক্ষেপণ করা হয়। স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণ করে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশযান ও রকেট প্রস্তুতকারক এবং উৎক্ষেপণকারী প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স। বাংলাদেশের জাতীয় মহাকাশ সংস্থা হলেও স্পারসো স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের সঙ্গে যুক্ত ছিল না।

মহাকাশ গবেষণা সংস্থা হতে হলে নিজস্ব স্যাটেলাইট প্রযুক্তি প্রোগ্রাম থাকতে হয়। সেটা নেই স্পারসোতে। এ ছাড়া স্পারসোর মহাকাশ উৎক্ষেপণ স্টেশন, কক্ষপথ, নিজস্ব স্যাটেলাইট এবং এই সংক্রান্ত প্রযুক্তিগত কোনও গবেষণাগারও নেই।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত