২০ + ২০ + ১৯ = ৫৯। বিশটা করে গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতেছেন রজার ফেদেরার এবং রাফায়েল নাদাল। রবিবার ফ্রেঞ্চ ওপেনের ফাইনালে স্তেফানোস সিতসিপাসকে রোমাঞ্চকর এক লড়াইয়ে ৩-২ সেটে হারিয়ে ক্যারিয়ারের ১৯তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম শিরোপা জিতলেন নোভাক জকোভিচ। তিনজনের মধ্যে বয়সে ছোট সার্ব তারকা। গত ২২ মে ৩৪ বছর পূর্ণ করেছেন। নাদালের বয়স ৩৫। আগস্টে ৪০ হবে ফেদেরারের। বয়স এবং ফর্মের হিসাবে সবাইকে ছাড়িয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সুবিধাজনক অবস্থায় আছেন জকোভিচই।
২৮ জুন থেকে শুরু হচ্ছে উইম্বলডন। ঘাসের কোর্টে সেরা ফেদেরার। কিন্তু তার হাঁটুর যা অবস্থা তাতে এবার সেরা ফর্মে খেলতে পারবেন কিনা সন্দেহ আছে। যদিও সুইস তারকা বলেছেন, ‘আশা করি আগামী কয়েক দিনে আরও বেশি ফিট হয়ে উঠব। তা ছাড়া ঘাসের কোর্টে খেললে এমন একটা অনুভূতি আসে যে বাকি ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। ফ্রেঞ্চ ওপেনে যেভাবে খেলেছি তাতে আমি খুশি। উইম্বলডন জেতার ব্যাপারে আমি কিছুটা হলেও ইতিবাচক। আগামী কয়েক দিনে শরীর অনেকটাই ফিট হয়ে যাবে। হাঁটুর যত্ন ঠিকভাবেই নিয়েছি।’
ফেদেরারের মন্তব্যেই পরিষ্কার ফিটনেস নিয়ে সংশয়ে আছেন তিনি। ফ্রেঞ্চ ওপেনের সেমিফাইনালে নাদালও কিছুটা ইনজুরি সমস্যায় ভুগেছেন। অন্যদিকে জকোভিচ ছিলেন সুপার ফিট। ফাইনালে সোয়া ৪ ঘণ্টার লড়াই শেষে ১৯তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম জেতার পর জকোভিচের সামনে এখন সবাইকে ছাপিয়ে যাওয়ার হাতছানি। উইম্বলডন জিতলেই ছুঁয়ে ফেলবেন নাদাল-ফেদেরারকে। অলিম্পিকের বছর চলছে। গোল্ডেন স্ল্যামও জেতার স্বপ্ন দেখেন তিনি। রবিবার প্যারিস জয়ের পর বলেছেন, ‘সব কিছুই সম্ভব। তবে পেছন ফিরে তাকিয়ে বলতে পারি জীবনে এখন পর্যন্ত যা অর্জন করেছি সেটাও অনবদ্য। এতটা যে করলাম অনেকে তা কল্পনা করেনি। তাই বলি সবই সম্ভব। গোল্ডেন স্ল্যাম জেতার জন্য ভালো অবস্থায় আছি বলে মনে করি।’ কোনো পুরুষ টেনিস তারকা চার গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের পর অলিম্পিক স্বর্ণপদক জেতেননি। এই কীর্তি আছে শুধু একজন নারীর, ১৯৮৮ সালের ৪ গ্র্যান্ড স্ল্যামের সঙ্গে সিউল অলিম্পিকে স্বর্ণপদক জিতে ইতিহাস হয়ে আছেন স্টেফি গ্রাফ।