বাগেরহাটে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে ১০৭টি নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে আরও ৫২ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়েছে।
জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণের হার ৪৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ। যা গতদিনের তুলনায় ১৪ শতাংশ বেশি। জেলার সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা মোংলা উপজেলাতে ৩০টি নমুনা পরীক্ষায় ১৪ জনের শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে।
সেখানে সংক্রমণের হার ৪৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ। যা গত ২৪ ঘণ্টার তুলনায় ১৯ শতাংশ কম। (বুধবার ভোর ছয়টা থেকে বৃহস্পতিবার ভোর ছয়টা পর্যন্ত)।
এই নিয়ে বাগেরহাট জেলায় করোনাভাইরাসে সংক্রমণে প্রথম ও দ্বিতীয় ঢেউয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল দুই হাজার ৩৮৭ জন।
এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৬০০ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬৩ জন বলে জানিয়েছে জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয়।
এদিকে, জেলার সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকা মোংলা উপজেলায় তৃতীয় দফায় আরও সাত দিনের কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে প্রশাসন।
বিধিনিষেধ ২৩ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কমলেশ মজুমদার।
বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কে এম হুমায়ুন কবির বলেন, বাগেরহাটে দ্বিতীয় ঢেউয়ে গত মার্চ মাস থেকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। চিকিৎসার জন্য ৫০ শয্যার একটি করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা আছে। সেখানে সেন্ট্রাল অক্সিজেনের পর্যাপ্ত সরবরাহ রাখা হয়েছে।
জেলার সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে মোংলা। সেখানে প্রতিদিন সংক্রমিত রোগী বাড়ছে। নমুনা পরীক্ষায় সংক্রমণের হার ৬০ থেকে ৭০ শতাংশের মধ্যে ওঠানামা করছে। যা উদ্বেগজনক।
তিনি আরও বলেন, বাগেরহাটে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সংগ্রহ করা ১০৭টি নমুনা পরীক্ষায় ৫২ জনের করোনা পজিটিভ এসেছে। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণের হার ৪৮ শতাংশ। যা গত ২৪ ঘণ্টার তুলনায় ১৪ শতাংশ বেশি।