সুন্দরবনের নিষিদ্ধ এলাকায় মাছ শিকার, জালসহ ১০ ট্রলার জব্দ

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সুন্দরবন ও পশুর নদীতে মাছের পোনা শিকারের অভিযোগে বেশ কয়েকটি নেট জালসহ ১০টি ট্রলার জব্দ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ভোরে সুন্দরবনের নিষিদ্ধ এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব জব্দ করে বন বিভাগ। 

পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের এসিএফ (সহকারী বন সংরক্ষক) মো. এনামুল হক জানান, ওই ১০টি ট্রলারের বিরুদ্ধে বন আইনে সিওআর (আর্থিক দণ্ড) মামলা করা হয়েছে। এ সময় জব্দ করা ১৬ সেট নেট জাল পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।

এসিএফ এনামুল বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুন্দরবনের নন্দবালা ফরেস্ট ক্যাম্প সংলগ্ন নিষিদ্ধ এলাকা ও পশুর নদীতে অভিযান চালায় তারা। এ সময় ওই ১০টি ট্রলারসহ রেণু পোনা (চিংড়ির পোনা) এবং ১৬ সেট নেট জাল জব্দ করা হয়। তবে এ সময় জেলেরা পালিয়ে যায় বলে দাবি করেন তিনি। 

এদিকে জব্দ করা রেণু পোনা নদীতে অবমুক্ত করার দাবি করা হলেও তার কোনো প্রমাণ দিতে পারেনি বন কর্মকর্তারা। 

এসিএফ এনামুল আরও বলেন, রেণু পোনাগুলো বনের হাড়বাড়িয়া ক্যাম্পের ওসি মো. শাহজাহানের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে, তিনি অবমুক্ত করেছেন।

ওসি শাজাহান বলেন, পোনা অবমুক্ত করার সময় এসিএফ উপস্থিত ছিলেন। তবে এসিএফ এনামুল বলেন, আমি ছিলাম না। 

এদিকে জব্দ করা ওই রেণু পোনা মোংলার পার্শ্ববর্তী জিউধারা বাজারে চাঁদপাই রেঞ্জের বনরক্ষী মিজানুর রহমান ও তার ভাগনে হাচান বিক্রি করে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে মিজানুর দাবি করেন, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি।  

পূর্ব সুন্দরবনের ডিএফও (বিভাগীয় বন কর্মকর্তা) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, আমি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি।