হাসপাতালে এসে অ্যাম্বুলেন্স চাপায় মা-ছেলে আহত

সন্তানের চিকিৎসা করাতে এসে হাসপাতালেই অ্যাম্বুলেন্সচাপায় আহত হয়েছেন মা ও তার সেই শিশুসন্তান। অ্যাম্বুলেন্সচাপায় শিশু আরিয়ানের পায়ের হাড় ভেঙে গেছে এবং তার মা শারমিন আক্তারের (২৩) কোমরে আঘাত লেগেছে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ফটকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাদেরকে ঢামেক হাসপাতালেরই জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এর আগে ২০১৬ সালে ঢাকা মেডিকেলেরই জরুরি বিভাগের ফটকে অ্যাম্বুলেন্সচাপায় প্রাণ হারান অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ ৪ জন।

চিকিৎসকরা জানান, শিশু আরিয়ানের বাম পা ভেঙে গেছে। তার পা প্লাস্টার করে দেওয়া হয়েছে। আর আরিয়ানের মায়ের কোমরে আঘাত রয়েছে। তবে তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হবে না। পরে তারা ফলোআপ চিকিৎসার জন্য আসবেন।

কেরানীগঞ্জের কলাতিয়া এলাকার ফল ব্যবসায়ী আ. সাত্তারের স্ত্রী শারমিন। তার তানজিল নামে ছয় বছর বয়সী আরেকটি সন্তান আছে।

হাসপাতালের শয্যায় শুয়ে আহত শারমিন দেশ রূপান্তরকে জানান, তার সন্তান আরিয়ানের গলায় টিউমারের মতো ফোড়া হয়েছে। এজন্য তাকে গত রবিবার হাসপাতালের নাক কান গলা বিভাগের ৩০৩ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল সন্ধ্যায় সন্তানসহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ ও নতুন ভবনের মাঝামাঝি জায়গায় পানির পাম্প থেকে খাবার পানি আনতে যান শারমিন। সেখান থেকে পানি নিয়ে ফেরার পথে এক লেনের ছোট্ট সেতুতে একটি অ্যাম্বুলেন্স তাদের পাশের রেলিংয়ের সঙ্গে চাপা দেয়। এতে তিনি ও শিশু আরিয়ান আঘাত পান। ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া জানান, অ্যাম্বুলেন্সটির চালক আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে।