নাটোরের লালপুর সরকারি খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামসহ তার দপ্তরের তিন নিরাপত্তাকর্মীকে একযোগে বদলি করা হয়েছে। রফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেছিলেন, নাটোর-১ আসনের সংসদ সদস্য শহীদুল ইসলাম বকুলের বাড়ির একটি কক্ষে তাকে কয়েক ঘণ্টা আটকে রেখে অস্ত্র ঠেকিয়ে একটি সাদা কাগজে তার স্বাক্ষর নেয়া হয়।
পরে তার বিরুদ্ধে সরকারি গম নিজের ঘরে রাখার অভিযোগ ওঠে। এ বিষয়ে তদন্তের পর তাকে বদলির সিদ্ধান্ত হয়।সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রফিকুল ইসলামকে নাটোর জেলার বাইরে এবং তিন নিরাপত্তাকর্মীকে নাটোর জেলার বিভিন্ন উপজেলা খাদ্য গুদামে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নাটোর জেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক রবীন্দ্র লাল চাকমা বুধবার বিকেলে তাদের বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, নিরাপত্তা কর্মী তানভীর আহমেদ, আবু শামা ও সোলায়মান কবিরসহ সবাইকে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে তাদের নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে বলা হয়েছে।
এর আগে গত ২৫ জুন রফিকুল ইসলামের বাসা থেকে ২০০ বস্তা সরকারি গম উদ্ধার করা হয়। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক রবীন্দ্র লাল চাকমা প্রথমে এ বিষয়ে তাকে শোকজ করেন। পরে রাজশাহী বিভাগীয় অফিস থেকে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
তদন্ত শেষে কমিটির প্রধান সিরাজগঞ্জ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. মাহবুবুর রহমান যে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন তার ভিত্তিতেই এদের বদলি করা হয়েছে।
নাটোর-১ আসনের সংসদ সদস্য শহীদুল ইসলাম বকুলের বাড়ির একটি কক্ষে আটকে পেটে পিস্তল ঠেকিয়ে সাদা কাগজে আট লাখ টাকা পাবে মর্মে লিখে স্বাক্ষর নিয়ে টাকা চাওয়ার অভিযোগ করেছিল এই খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম।