সেরা ৫ মিনিড্রোন

শখের বশে, ফটোগ্রাফি ও ভিডিওগ্রাফির উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয় ড্রোন। বিভিন্ন কাজে কম দামে ভালো মানের ড্রোন পাওয়া যাচ্ছে। যেমন

স্কেআই পিকো : এই ড্রোনটির ওজন মাত্র ৭ গ্রাম। এতে ব্যবহার করা হয়েছে রেটো২ ফ্লাই প্রযুক্তি। রাতের বেলা উড়ানোর জন্য ড্রোনে দেওয়া হয়েছে এলইডি লাইট। ফুল চার্জ হতে সময় নেবে ত্রিশ মিনিট। ফুল চার্জে ব্যাকআপ দেবে ৭-৮ মিনিট। ভিন্ন ভিন্ন তিনটি মোডে চালানো এই ড্রোনের ক্যামেরায় রয়েছে বিভিন্ন অ্যাঙ্গেলে ঘোরানোর সুবিধা।

জ্যাট জেট আলট্রা : বিশ্বের অন্যতম একটি খুদে ড্রোন এর নাম ‘জ্যাট জেট আলট্রা’। হাতের একটি স্পর্শে এই ড্রোনটি টেক অফ, অটো টেক অফ অথবা ল্যান্ডিং প্রযুক্তি ছাড়াই স্থির হয়ে ভেসে থেকে ভিডিও রেকর্ডিং করতে পারে। এটি ১০০ ফুট ওপর পর্যন্ত উড়তে পারে। সব মিলিয়ে এটি ৫ মিনিট পর্যন্ত উড়বে। এই ড্রোনটিরও চার্জ হতে সময় লাগে ৩০ মিনিট। স্মার্টফোনের সঙ্গে কানেক্ট করে বিভিন্ন সেট আপের মাধ্যমে কন্ট্রোল করা যাবে এই ড্রোন।

রেভেল ন্যানো কোয়াডকোপ্টার : সহজেই হাতের তালুতে লেগে থাকে রেভেল ন্যানো কোয়াডকোপ্টার। এর ওজন ১২ গ্রাম। চারটি মোটরে চালিত। এটি ৫০ মিটার পর্যন্ত ওপরে উঠতে পারে। সীমিত সময়সীমায় এই ড্রোন চালাতে হয়। ফুল চার্জে মাত্র ৫ মিনিট উড়তে পারবে। এতে ব্যবহার করা হয়েছে লিটিয়াম আইও ব্যাটারি। যেটি ফুল চার্জ হতে সময় নেয় ৩৫ মিনিট। এই ড্রোনটি স্মার্টফোন দিয়েও কন্ট্রোল করা সম্ভব। 

ওয়ালেট ড্রোন : ওয়ালেট বলতে আমরা মানিব্যাগকেই বুঝি। কিন্তু প্যাকেটসহ এই ড্রোনটি দেখতে একেবারে মানিব্যাগের মতো। কোনো রকম কেবল না লাগিয়েই ব্যবহার করা যাবে এটি। রেডি টু ফ্লাই প্রযুক্তি ও তিনটি ফ্লাইং মোডে চালানো যাবে এই ওয়ালেট ড্রোন। উড়বে ৫-৭ মিনিটের মতো। এর ব্যাটারি ফুল চার্জ হতে সময় নেয় মাত্র ২০ মিনিট। রাতে উড়ানোর জন্য থাকছে এলইডি লাইটের সুবিধা।

রোবো বি : অন্যান্য ক্ষুদে ড্রোন থেকে এর কাজ একদম আলাদা। ব্যক্তিগত ছবি তোলা কিংবা ভিডিওগ্রাফির উদ্দেশ্যে এই ড্রোনটি তৈরি করা হয়নি। প্রযুক্তি কতটা এগিয়ে গেছে সেটি প্রমাণ এই ড্রোন। মৌমাছির বদলে যান্ত্রিকভাবে ফুলের পরাগায়নের জন্য এই রোবো বি এর উত্থান। মৌমাছির মতো

আকৃতি থেকে তাই এই ড্রোনের নাম দেওয়া হয়েছে রোবো বি। সাধারণ মৌমাছির মতো ফুলে ফুলে পরাগায়ন করতে সক্ষম এই ড্রোন। বাকি সব ড্রোনের মতো স্মার্টফোনের সাহায্যে এর কন্ট্রোল করা যাবে।