সংসদে হারুন

ঈদুল আজহা সামনে রেখে গরিব মানুষদের দ্রুত খাদ্য দিন

বিএনপিদলীয় সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ বলেছেন, ‘ক্ষুধা-দারিদ্র্যের কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়ে। সেনাবাহিনী নামানো হয়েছে। সামনে ঈদুল আজহা। এজন্য গরিব মানুষকে দ্রুত খাদ্য দেওয়ার দাবি করছি। কোরবানির পশু পরিবহন ও কেনাবেচায় শিগগিরই সুনির্দিষ্ট নীতিমালা তৈরি করতে হবে। না হলে এটা নিয়েও সংকট তৈরি হবে।’

গতকাল শনিবার বাজেট অধিবেশনের সমাপনী দিনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী সংসদে ছিলেন। তবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন না।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, আপনারা তো হাসপাতালের চেয়ার। মেশিন চলে না, লোক লাগবে এগুলো তো আপনাদের দেখতে হবে। কিন্তু আপনারা তো দেখেন না। নার্স, ডাক্তার, যন্ত্রপাতি লাগলে আপনাদের বলতে হবে। অভিযোগ দিলে তো হবে না। এগুলোর ব্যবস্থা করা হবে। কিন্তু আপনাদের বলতে হবে। চেয়ারম্যান হিসেবে এগুলো দেখার দায়িত্ব আপনাদের ওপর বর্তায়। উনার বক্তব্যে মনে হচ্ছে, কোনো এমপিই দায়িত্ব পালন করেন না। অথচ আমি হাসপাতালের চিকিৎসকসহ লোকবল নিয়োগের জন্য উনার দপ্তরে গিয়েছি। এ বক্তব্য আপত্তিজনক। স্বাস্থ্যমন্ত্রী গোটা হাউজকে অপমান করেছেন। তার বক্তব্য এক্সপাঞ্জ হওয়া দরকার।’

বিএনপির এই যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ। যেকোনো মূল্যে করোনা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। যেভাবে সংক্রমণের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে আগামী ১০-১৫ দিনের মধ্যে এটা ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।’

বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম মুহম্মদ সিরাজ বলেন, ‘বগুড়া করোনার হটস্পট। গত তিন দিনে সেখানে ২৪ জন মারা গেছেন। সেখানে হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা সংকট। সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী নেই। জেলার তিনটি কভিড হাসপাতাল করোনা রোগীতে ঠাসা।’