ইউক্রেনকে নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করল ইংল্যান্ড। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই লিড নেওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে আরো তিন গোল। ইউরো কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে গোল উৎসব করে ইংলিশরা পা রাখল শেষ চারে।
শনিবার রোমের স্তাদিও অলিম্পিকোয় আসরের শেষ কোয়ার্টার ফাইনালে ইউক্রেনকে ৪-০ গোলে হারায় ইংল্যান্ড। সুবাদে ২৫ বছর পর পা রাখে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে। যেখানে তাদের লড়তে হবে ডেনমার্কের সঙ্গে।
একই দিন আরেক কোয়ার্টার ফাইনালে চেক রিপাবলিককে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ চারের টিকিট কাটে ড্যানিশরা।
ইউক্রেনের বিপক্ষে ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই অধিনায়ক হ্যারি কেইনের গোলে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। শেষ ষোলোয় জার্মানিকে ২-০ গোলে হারানো ম্যাচেও হেড থেকে দারুণ এক গোল করেছিলেন তিনি।
এদিনও হেড থেকে গোল করলেন কেইন। তবে সেটি দ্বিতীয়ার্ধে, যা ম্যাচে তার দ্বিতীয় ও আসরের তৃতীয় গোল। প্রথম গোলটা কেইন করেন রহিম স্টার্লিংয়ের এসিস্টে, দারুণ ফিনিশিংয়ে।
গ্যারেথ সাউথগেটের ইংল্যান্ড দ্বিতীয়ার্ধে যে তিনটি গোল পেল, সবকটিই হেড থেকে। ৫০ মিনিটে লুক শয়ের ফ্রি কিকে উড়ে আসা বলে মাথা ছুঁইয়ে ২-০ করেন হ্যারি ম্যাগুইরি। ৪ মিনিটে পরই হেড থেকে কেইনের গোলে ৩-০। এবারও গোল তৈরি করার কাজটা করেন লুক শ।
৬৩ মিনিটে জর্ডান হেন্ডারসনের গোল। ম্যাসন মাউন্টের নেওয়া কর্নার কিকে হেডে বল জালে জড়ান তিনি। ঠিক তার আগেই কেইনের জোরালো শট কর্নারের বিনিময়ে বাঁচিয়েছিলেন ইউক্রেন গোলরক্ষক বুশচান। তাই হ্যাটট্রিক পাওয়া হয়নি কেইনের। পরে তাকে তুলে নেন কোচ সাউথগেট।
কোনো গোল হজম না করা ইংল্যান্ড এক রকম ইতিহাসই গড়ল। নিজেদের ইতিহাসে এই প্রথম টানা সাত ম্যাচ তারা কোনো গোল হজম করেনি। আর নিজেদের ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয় বার কোনো মেজর টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে ৪ গোল করল।
সবশেষ তাদের এই কীর্তি ১৯৬৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে। সেবার জার্মানিকে ৪-২ গোলে হারিয়ে শিরোপা জেতা ইংলিশরা এবার পারবে ইউরোর ট্রফি নিজেদের করতে? এ জন্য অবশ্য আর মাত্র দুটি জয়ই যথেষ্ট!
আরো পড়ুন