কক্সবাজারের চকরিয়ায় সরকারি নির্দেশ অমান্য করে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে লকডাউনের মধ্যেও পশুর হাট বসানোর অভিযোগ উঠেছে মাতামহুরী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বাবলার বিরুদ্ধে। দেশে সবকিছু অস্বাভাবিক হলেও ইলিশিয়ার গরু বাজার যেন স্বাভাবিক। এ নিয়ে এলাকার সাধারণ জনগণ ও সচেতন নাগরিকের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও যুবলীগ নেতা অ্যাডভোকেট রবিউল এহেসান লিটন জানান, ইলিশিয়া দক্ষিণ চট্টগ্রামের সর্ববৃহৎ গরু বাজার হওয়ায় বিভিন্ন উপজেলা থেকে গরু নিয়ে এই বাজারে বিক্রি করার জন্য জমায়েত হয়। সেহেতু পুরো কক্সবাজার জেলায় করোনা ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, সবকিছু বন্ধ রাখলে কী হবে, যদি গরু বাজারে হাজার হাজার মানুষ জমায়েত ও গরু-মহিষ এনে বিক্রি করে। তাহলে এসব লকডাউন দিয়ে কি কোনো লাভ হবে?
ইলিশিয়া জমিলা বেগম উচ্চ বিদ্যালয় সভাপতি ও পশ্চিম বড় ভেওলা চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বাবলার কাছ থেকে গরু বাজার বসানোর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে সপ্তাহে দুই দিন বৃহস্পতি ও রবিবার পশুর হাট (বাজার) বসানো হয়েছে।
ইলিশিয়া গরু বাজার বসানোর বিষয়ে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ শামশুল তাবরীজের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে সরকারের ঘোষিত বিধিনিষেধে নিত্যপণ্য সামগ্রীর নিয়মে বাজার বসানো যেতে পারে। তবে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে এবং অতিরিক্ত পরিমাণে লোক জমায়েত হলে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী বলেন, চলমান লকডাউনে এ ধরনের বৃহত্তর একটি পশুর হাট বসানো উচিত হয়নি। অন্তত সরকারিভাবে অনুমোদন নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে করতে পারতেন। তিনি বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন বলে জানান।