পুরোপুরি ভিন্ন আঙ্গিকে সাজানো হয়েছে বাংলাদেশ টেলিভিশনের এবারের ‘আনন্দমেলা’। প্রচলিত মেলায় আমরা যা দেখি, তার সবই ছিল আনন্দমেলার সেটে। মূলত আমাদের সংস্কৃতি থেকে ক্রমশ হারিয়ে যেতে থাকা মেলাকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে এই ‘আনন্দমেলা’। এখানেও দেখা যাবে- যাত্রার প্যান্ডেল, সার্কাস, পতুল নাচ, বায়োস্কোপ, নিশানা লাগানো, চুড়ি, মুড়ি-মুড়কির দোকান, মিষ্টির দোকান, বেতের নানা উপকরণের দোকান, নাগরদোলা, বানর নাচ, হাওয়াই মিঠাই, খাবারের দোকান, পোশাকের দোকান ইত্যাদি। প্রতিটি দোকানকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে নানা ঘটনা এবং এগিয়ে চলেছে ঈদের ‘আনন্দমেলা’র কাহিনী। স্বামী-স্ত্রীর ভূমিকায় হাজির হয়ে উপস্থাপনা করেছেন চিত্রনায়ক রিয়াজ ও অভিনেত্রী অর্চিতা স্পর্শিয়া। থাকছে প্রয়াত পপ সম্রাট আজম খানের ৩টি গানের কোলাজ করে একটি গান। ফুয়াদ নাসের বাবুর সংগীত পরিচালনায় গেয়েছেন সংগীতশিল্পী মেহেরীন, আলিফ আলাউদ্দিন ও আরমিন মুসা। ‘আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম’ গানটি নতুনভাবে ফিউশন করে গেয়েছেন পুলক অধিকারী, রেজওয়ান, অনন্যা, বিপাশা ও মৃদুলা। জীবনের সবচেয়ে বড় আনন্দ যে মানবতার সেবার মধ্যে গানে গানে এই কথাগুলোই বলেছেন পিন্টু ঘোষ। গানটির সুর ও সংগীত পরিচালকও তিনি। বিভিন্ন অঞ্চলের বিখ্যাত সব মিষ্টির নাম নিয়ে তৈরি করা হয়েছে আরেকটি মৌলিক গান। লিটু সাখাওয়াতের কথায় এর সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন এজাজ ফারাহ। কণ্ঠ দিয়েছেন এজাজ ফারাহ্, নিয়াজ মাখদুম ও সাদিত। পাঁচ দশকের পাঁচ জনপ্রিয় নায়িকা শবনম, ববিতা, অঞ্জু ঘোষ, মৌসুমী ও মাহিয়া মাহির জনপ্রিয় বিভিন্ন সিনেমার গানের সঙ্গে ৩টি নৃত্য পরিবেশন করেছেন এ সময়ের জনপ্রিয় তিন চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া, মাহিয়া মাহি ও বিদ্যা সিনহা মিম। সমাজ সচেতনতামূলক নাট্যাংশে অংশ নিয়েছেন মিশা সওদাগর, আতাউর রহমান, জিল্লুর রহমান, আহসানুর রহমান, হুমায়ুন কাবেরী, গাজী রোকন ও যাদু। ‘আনন্দমেলা’ প্রচার হবে ঈদের দিন রাত ১০টার ইংরেজি সংবাদের পর।