নড়িয়ায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বাড়িঘর ভাংচুর-লুটপাট

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার নশাসন ইউনিয়নের গাগ্রীজোড়া গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ১০টি বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুই নারী আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার ভোর ৫টার দিকে এসব হামলার ঘটনা ঘটে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, নশাসন ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পাড়াগাঁও গ্রামের মাসুম ছৈয়াল ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার গাগ্রীজোড়া গ্রামের সামসুদ্দিন সরদারের মাঝে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।

তারই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার ভোর ৫টার দিকে মাসুম ছৈয়ালের নেতৃত্বে তাজুল সরদার, সেলিম শেখ, আজগর খাঁসহ ৫০/৬০জন ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে মেম্বার সামসুদ্দিন সরদারের বাড়িসহ তার সমর্থকদের ১০টি বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটায়। এ সময় ফয়জুন বেগম (৭৫), নাসিমা বেগমকে (৪৮) পিটিয়ে আহত করা হয়।

মেম্বার সামসুদ্দিন সরদার বলেন, নশাসন ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন তালুকদারের ইন্দনে ও সন্ত্রাস মাসুম ছৈয়ালের নেতৃত্বে তাজুল সরদার, সেলিম শেখ, আজগর খাঁসহ ৫০/৬০ জন বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আমাদের ১০টি বাড়িঘর ও একটি মোটরসাইকেল ভাংচুর করে।

সন্ত্রাসী মাসুম ছৈয়ালের বিরুদ্ধে ১০/১২টি মামলা রয়েছে। সন্ত্রাসীরা নগদ অর্থ, স্বর্ণাংলকার ও আসবাবপত্র লুট করে নিয়ে যায়। আমাদের পক্ষের ফয়জুন বেগম ও নাসিমা বেগমকে পিটিয়ে আহত করে। এতে ২০ লাখ কাটার ক্ষতি হয়েছে।

এদিকে, নশাসন ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুম ছৈয়াল মুঠোফোনে বলেন, গতকাল বিকেলে আমরা গাগ্রীজোড়া গ্রামে ঘুরতে যাই। তখন সামসুদ্দিন সরদারের ছেলে ইউসুফ সরদার লোকজন নিয়ে আমাদের দেলোয়ার ফরাজিকে মারধর করে। আমরা তাদের ঘরবাড়িতে হামলা করি নাই।

নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অবনী শংকর কর বলেন, ঘটনার পর আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে। আইন সবার জন্য সমান। অপরাধী যেই হোক তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।